চিনির মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা
বাঁকুড়া, ২২ আগস্ট (হি. স.): চিনির ক্রমবর্ধমান দামে চাপে পড়েছে মিষ্টান্ন শিল্প। গ্যাস, তেল ও বনস্পতির পর এবার চিনির মূল্যবৃদ্ধি মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের কাছে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে খুচরো বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি প্রায়
চিনির মূল্য বৃদ্ধিতে বিপাকে মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা


বাঁকুড়া, ২২ আগস্ট (হি. স.): চিনির ক্রমবর্ধমান দামে চাপে পড়েছে মিষ্টান্ন শিল্প। গ্যাস, তেল ও বনস্পতির পর এবার চিনির মূল্যবৃদ্ধি মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের কাছে নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্তমানে খুচরো বাজারে চিনি বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি প্রায় ৭০ টাকা দরে। পাইকারি বাজারেও কুইন্টালপ্রতি দাম পৌঁছেছে ৬,৮০০ টাকায়।

চিনির দাম এভাবে বাড়তে থাকলে মিষ্টির দাম বৃদ্ধি করা ছাড়া উপায় থাকবে না বলে মনে করছেন ব্যবসায়ীরা। তবে মিষ্টির দাম বাড়ালে তার সরাসরি প্রভাব পড়বে ক্রেতাদের উপর। দাম বৃদ্ধির ফলে অনেক ক্রেতা মিষ্টি কেনা থেকে মুখ ফেরাতে পারেন, যার জেরে বিক্রিবাটাতেও প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যবসায়ীরা।

পশ্চিমবঙ্গ মিষ্টান্ন ব্যবসায়ী সমিতির বাঁকুড়া শাখার সম্পাদক জয়দেব চক্রবর্তী বলেন, “যে হারে চিনির দাম বাড়ছে, তাতে মিষ্টান্ন শিল্প অত্যন্ত চাপে রয়েছে।” তাঁর দাবি, বাঁকুড়া শহরেই একশোর বেশি মিষ্টির দোকান রয়েছে। গোটা জেলায় সেই সংখ্যা হাজার ছাড়িয়ে যাবে। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এই শিল্পের সঙ্গে কয়েক হাজার পরিবার যুক্ত। ফলে কাঁচামালের দাম বৃদ্ধির প্রভাব শুধু ব্যবসায়ীদের উপর নয়, সংশ্লিষ্ট পরিবারগুলির উপরও পড়ছে।

চিনির দাম বৃদ্ধিকে ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে অসন্তোষের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের একাংশের অভিযোগ, বাজারে কৃত্রিম অভাব তৈরি করে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী মুনাফা লুঠছে। চিনি মজুত রেখে বাজারে সরবরাহে টান তৈরি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বাজারে নজরদারি আরও জোরদার করার দাবি জানিয়েছেন মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande