হর কি পৌড়িতে ধুমধাম করে পালিত মুলতান জ্যোতি মহোৎসব, গঙ্গার সঙ্গে দুধের হোলি
হরিদ্বার, ২৩ আগস্ট (হি.স.) : ধর্মনগরী হরিদ্বারের হর কি পৌড়িতে রবিবার ধুমধাম ও ভক্তিভরে পালিত হল মুলতান জ্যোতি মহোৎসব। এই উপলক্ষে ভক্তরা গঙ্গার সঙ্গে দুধের হোলি খেলেন। এক সপ্তাহ ধরে প্রজ্বলিত পবিত্র জ্যোতিকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গঙ্গায় বিসর
হর কি পৌড়িতে ধুমধাম করে পালিত মুলতান জ্যোতি মহোৎসব, গঙ্গার সঙ্গে দুধের হোলি


হরিদ্বার, ২৩ আগস্ট (হি.স.) : ধর্মনগরী হরিদ্বারের হর কি পৌড়িতে রবিবার ধুমধাম ও ভক্তিভরে পালিত হল মুলতান জ্যোতি মহোৎসব। এই উপলক্ষে ভক্তরা গঙ্গার সঙ্গে দুধের হোলি খেলেন। এক সপ্তাহ ধরে প্রজ্বলিত পবিত্র জ্যোতিকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়।

অখিল ভারতীয় মুলতান সংগঠনের সভাপতি ড. মহেন্দ্র নাগপালের নেতৃত্বে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুল সংখ্যক মুলতানি সম্প্রদায়ের মানুষ হরিদ্বারে পৌঁছন। ভক্তরা বালতিতে করে দুধ নিয়ে হর কি পৌড়িতে জড়ো হন। পরে পিচকারিতে দুধ ভরে গঙ্গার সঙ্গে হোলি খেলেন তাঁরা। এই অনন্য দৃশ্য দেখতে ঘাটগুলিতে ভিড় জমে যায়।

মহোৎসব উপলক্ষে গোটা হরিদ্বার, বিশেষ করে হর কি পৌড়ি এলাকা আকর্ষণীয় ভাবে সাজানো হয়েছিল। বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় বিশেষ আলোকসজ্জার পাশাপাশি আতশবাজি ও পুষ্পবৃষ্টির আয়োজন করা হয়। উৎসবের আবহে গোটা এলাকা দীপাবলির মতো সেজে ওঠে। এ বছর আয়োজকরা নতুন বৈদ্যুতিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিশেষ জ্যোতি তৈরি করেছিলেন। নিয়ম মেনে সেই জ্যোতি গঙ্গায় অর্পণ করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি ড. মহেন্দ্র নাগপাল জানান, এই ঐতিহাসিক পরম্পরার সূচনা ১৯১১ সালে। পাকিস্তানের মুলতান শহর থেকে ভক্ত রূপচাঁদ পায়ে হেঁটে জ্যোতি নিয়ে হরিদ্বারে এসেছিলেন। সমাজে ভ্রাতৃত্ব, শান্তি ও সমৃদ্ধির কামনায় তিনি সেই জ্যোতি গঙ্গায় অর্পণ করেন। সেই থেকেই এই পরম্পরা চলে আসছে এবং প্রতি বছর বড় আকারে এই মহোৎসব পালিত হয়।

অনুষ্ঠানে অসমের প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীশ মুখী, বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক ও রাজ্যসভার সদস্য তরুণ চুঘ, ওমপ্রকাশ অরোরা, রতনদেব চাওলা, সতপাল অরোরা-সহ মুলতানি সমাজের বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande