গাছ কাটা কে কেন্দ্র করে উত্তেজনা গোঘাটে
আরামবাগ , ২৩ আগস্ট (হি.স.): গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত গোঘাটের কুমুড়সা গ্রাম পঞ্চায়েতের কানপুর এলাকা। ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়দের একাংশ, অন্যদিকে পঞ্চায়েত প্রধানের পাল্টা অভিযোগে তৈরি হয়েছে নতুন
পরিস্থিতি সামাল দিতে গোঘাট পুলিশ


আরামবাগ , ২৩ আগস্ট (হি.স.): গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগে উত্তপ্ত গোঘাটের কুমুড়সা গ্রাম পঞ্চায়েতের কানপুর এলাকা। ঘটনাকে ঘিরে একদিকে যেমন ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয়দের একাংশ, অন্যদিকে পঞ্চায়েত প্রধানের পাল্টা অভিযোগে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছতে হয় গোঘাট থানার পুলিশকে।

রবিবার স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত পরশু কানপুর এলাকায় বেশ কয়েকটি গাছ কাটার ঘটনা সামনে আসে। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শনিবার গোঘাট থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ দায়েরের খবর ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। তাঁদের দাবি, গাছ কাটার সময় কুমুড়সা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রবিন দে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। অথচ পরবর্তীতে গাছ কাটার অভিযোগে থানায় অভিযোগ দায়ের করায় প্রশ্ন তুলেছেন গ্রামবাসীরা।

অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগের মধ্যেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। গ্রামবাসীদের একাংশ আজ রবিবার পঞ্চায়েত প্রধানকে খোর্দ্দা কানপুর শিবতলা এলাকায় নিয়ে আসেন বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় গোঘাট থানার পুলিশ। পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হয়।

তবে গ্রামবাসীদের সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত প্রধান রবিন দে। তাঁর দাবি, এলাকায় বর্তমানে বনসৃজনের কাজ চলছে। গাছ কাটার সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্ক নেই এবং এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। উল্টে তাঁর অভিযোগ, একদল গ্রামবাসী অনৈতিকভাবে তাঁর বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তাঁকে মারধর করেছে।

যদিও এই অভিযোগও মানতে নারাজ গ্রামবাসীদের একাংশ। তাঁদের দাবি, পঞ্চায়েত প্রধানের বাড়ির লোকজনই নিজেদের বাড়িতে ভাঙচুর করেছে। ফলে গাছ কাটার ঘটনাকে কেন্দ্র করে এখন মূল বিতর্ক ছাপিয়ে সামনে এসেছে একাধিক পাল্টাপাল্টি অভিযোগ।

ঘটনায় ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে গোঘাট থানার পুলিশ। গাছ কাটার অনুমতি ছিল কি না, কার নির্দেশে গাছ কাটা হয়েছে এবং অভিযোগগুলির পিছনে বাস্তব সত্য কতটা—তদন্তের পরই তার উত্তর মিলবে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কানপুর এলাকায় এখনও চাপা উত্তেজনা রয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande