কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠে মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী
আরামবাগ , ২৩আগস্ট (হি.স.): রবিবার শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ভূমি কামারপুকুরে এসে রামকৃষ্ণ মঠ ও মন্দিরে পুজো ও দর্শন করলেন রাজ্যের মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, খ
মন্ত্রীকে স্বাগত জানাচ্ছেন গোঘাট বিধায়ক


আরামবাগ , ২৩আগস্ট (হি.স.): রবিবার শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের স্মৃতিবিজড়িত পবিত্র ভূমি কামারপুকুরে এসে রামকৃষ্ণ মঠ ও মন্দিরে পুজো ও দর্শন করলেন রাজ্যের মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী। তথ্যপ্রযুক্তি ও ইলেকট্রনিক্স, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, জৈবপ্রযুক্তি, খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এবং উদ্যানপালন-সহ একাধিক দফতরের দায়িত্বে থাকা মন্ত্রীর এই সফর ঘিরে বিশেষ আগ্রহ তৈরি হয় এলাকায়।

মন্ত্রী জানান, এর আগেও বহুবার তিনি কামারপুকুর রামকৃষ্ণ মঠে এসেছেন। তবে মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পর এই প্রথম তাঁর কামারপুকুরে আগমন। এদিন রামকৃষ্ণদেবের স্মৃতিবিজড়িত বিভিন্ন স্থান পরিদর্শনের পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী আমগাছ নিয়েও কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, প্রায় ১৮০ বছরের স্মৃতি বহন করে চলা ঐতিহাসিক আমগাছটির পরিচর্যার দায়িত্ব রামকৃষ্ণ মঠ তাঁর উপর অর্পণ করেছে। সেই দায়িত্বকে তিনি অত্যন্ত সম্মানের সঙ্গে দেখছেন বলেও জানান। শুধু ওই আমগাছ নয়, কামারপুকুরের ঐতিহাসিক মানিক রাজার আমবাগানের প্রসঙ্গও উঠে আসে তাঁর কথায়।

মন্ত্রী বলেন, কামারপুকুর শুধুমাত্র একটি ধর্মীয় স্থান নয়, এটি বাংলার ইতিহাস, সংস্কৃতি ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এখানকার ঐতিহাসিক সম্পদ ও পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।

পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে কামারপুকুরের ঐতিহ্য, রামকৃষ্ণদেবের স্মৃতিবিজড়িত স্থানের সংরক্ষণ এবং ঐতিহাসিক আমগাছের পরিচর্যা নিয়ে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেন মন্ত্রী কল্যাণ চক্রবর্তী। তাঁর কথায়, ঐতিহ্যকে বাঁচিয়ে রেখে আগামী প্রজন্মের কাছে তা পৌঁছে দেওয়াই এখন অন্যতম দায়িত্ব।

হিন্দুস্থান সমাচার / SANTOSH SANTRA




 

 rajesh pande