ফরিদাবাদে ৪৫ সাইবার প্রতারক গ্রেফতার, উদ্ধার ৩.৬৬ লক্ষ টাকা
ফরিদাবাদ, ৩০ আগস্ট (হি.স.): ফরিদাবাদ পুলিশের তিনটি সাইবার থানার দল ২২ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত এক সপ্তাহের অভিযানে ৪৫ জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের কাছ থেকে ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সাইবার প্রতারণা সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে
ফরিদাবাদে ৪৫ সাইবার প্রতারক গ্রেফতার, উদ্ধার ৩.৬৬ লক্ষ টাকা


ফরিদাবাদ, ৩০ আগস্ট (হি.স.): ফরিদাবাদ পুলিশের তিনটি সাইবার থানার দল ২২ থেকে ২৮ আগস্ট পর্যন্ত এক সপ্তাহের অভিযানে ৪৫ জন সাইবার অপরাধীকে গ্রেফতার করেছে। ধৃতদের কাছ থেকে ৩ লক্ষ ৬৬ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সাইবার প্রতারণা সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতে বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা আরও ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার ৭১৭ টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে।

পুলিশের মুখপাত্র রবিবার জানান, তিনটি সাইবার থানায় মোট ১৩টি মামলায় এই ৪৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে সাইবার থানা এনআইটির তিনটি, সেন্ট্রাল সাইবার থানার ছয়টি এবং বল্লভগড় সাইবার থানার চারটি মামলা রয়েছে। পাশাপাশি সাইবার পুলিশের দল ৩৬৯টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করেছে।

ধৃতদের মধ্যে হরপ্রীত, হর্ষ, রোহিত পরিহার, মাসুম, সোহিল, সচিন, জয়কিশন, শুভম, অঙ্কিত কুমার, হিমাংশু, দিনকর, সৌরভ, ধনঞ্জয়, অঞ্জলি গৌড়, কাঞ্চন শর্মা, নীতিন আগরওয়াল, প্রসূন, রোহিত, ফরদিন, আবদুল আলিম, সচিন কুমার, রঘুবেন্দ্র, রাহুল, জয় বিষ্ট, নিক্কি যাদব, ভিল বিহা, বিশাল, ভিল হীরা, বিশাল ত্যাগী, আরতি, ওঙ্কার, রঞ্জিত যাদব, কার্তিক ভাসিন, অঙ্কুর চৌহান, বিক্রম, পুনীত সাক্সেনা, হিতেশ, গৌরব, ওঙ্কার, রামচন্দ্র, দক্ষ কালরা, রাজা পাশওয়ান, হাদিপ সিং, পরভীন এবং বাসিফ রয়েছে।

পুলিশের ডেপুটি কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স) হিমাদ্রি কৌশিক সাধারণ মানুষকে সাইবার অপরাধের বিষয়ে সতর্ক ও সচেতন থাকার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেন, দ্রুত বেশি টাকা উপার্জন বা বেশি লাভের আশায় অনেকেই সাইবার প্রতারকদের ফাঁদে পড়েন। সম্পূর্ণ তথ্য যাচাই না করে বিনিয়োগ করেও অনেকে প্রতারণার শিকার হন।

তিনি পরামর্শ দিয়েছেন, কোনও অচেনা লিঙ্কে ক্লিক না করতে এবং সম্পূর্ণ তথ্য যাচাইয়ের পরই সরকারি বা অনুমোদিত ওয়েবসাইট ও প্ল্যাটফর্মে বিনিয়োগ করতে। ব্যাঙ্কিং সংক্রান্ত বা ব্যক্তিগত তথ্য কারও সঙ্গে শেয়ার না করার পাশাপাশি কাউকে ওটিপি না দেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কোনও ব্যাঙ্ক বা অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান ফোন করে গ্রাহকের গোপন ব্যাঙ্কিং তথ্য চায় না।

ডিসিপি বিশেষভাবে সতর্ক করে বলেন, ভারতীয় আইনে ‘ডিজিটাল অ্যারেস্ট’-এর কোনও বিধান নেই। কেউ পুলিশ, সিবিআই, ইডি বা অন্য কোনও তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিক পরিচয় দিয়ে ফোন করে ভয় দেখালে বা টাকা দাবি করলে তাঁর কথায় বিশ্বাস না করে সতর্ক থাকতে হবে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande