কানপুরে গঙ্গার জলস্তর ১৫ সেন্টিমিটার কমল, কমেছে জল ছাড়ার পরিমাণও
কানপুর, ৩০ আগস্ট (হি.স.): উত্তর প্রদেশের কানপুর জেলায় ব্যারাজে গঙ্গার জলস্তর শনিবারের তুলনায় রবিবার ১৫ সেন্টিমিটার কমেছে। ডাউনস্ট্রিমেও জলস্তর ১৮ সেন্টিমিটার কমেছে। ব্যারাজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও ১৬,৭৮৫ কিউসেক কমেছে। রবিবার জেলাশাসক জিতেন্দ্র প্রত
কানপুরে গঙ্গার জলস্তর ১৫ সেন্টিমিটার কমল, কমেছে জল ছাড়ার পরিমাণও


কানপুর, ৩০ আগস্ট (হি.স.): উত্তর প্রদেশের কানপুর জেলায় ব্যারাজে গঙ্গার জলস্তর শনিবারের তুলনায় রবিবার ১৫ সেন্টিমিটার কমেছে। ডাউনস্ট্রিমেও জলস্তর ১৮ সেন্টিমিটার কমেছে। ব্যারাজ থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও ১৬,৭৮৫ কিউসেক কমেছে।

রবিবার জেলাশাসক জিতেন্দ্র প্রতাপ সিং বলেন, জলস্তর ও জল ছাড়ার পরিমাণ কমা স্বস্তির বিষয়। তবে প্রশাসন বন্যা পরিস্থিতির উপর নিয়মিত নজর রাখছে এবং সংশ্লিষ্ট দফতরগুলিকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফ্লাড কন্ট্রোল অফিসের তথ্য অনুযায়ী, কানপুর ব্যারাজের আপস্ট্রিমে জলস্তর ১১৪.১৫০ মিটার রেকর্ড করা হয়েছে। শনিবার এই জলস্তর ছিল ১১৪.৩০০ মিটার। অর্থাৎ একদিনে ১৫ সেন্টিমিটার কমেছে। ডাউনস্ট্রিমে শনিবারের ১১৪.০৭০ মিটার থেকে জলস্তর কমে ১১৩.৮৯০ মিটার হয়েছে। অর্থাৎ সেখানে ১৮ সেন্টিমিটার পতন হয়েছে।

ব্যারাজ থেকে ৩,৫৩,৬০৭ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছিল। শনিবার এই পরিমাণ ছিল ৩,৭০,৩৯২ কিউসেক। অর্থাৎ জল ছাড়ার পরিমাণ ১৬,৭৮৫ কিউসেক কমেছে। কানপুর ব্যারাজে সতর্কতা স্তর ১১৪ মিটার এবং বিপদসীমা ১১৫ মিটার নির্ধারিত রয়েছে। বিপদসীমায় জল ছাড়ার পরিমাণ ৫,৪৪,৩৭৩ কিউসেক ধরা হয়।

শুক্লাগঞ্জেও গঙ্গার জলস্তর কমেছে। সেখানে জলস্তর ছিল ১১২.৬৮০ মিটার, যেখানে শনিবার তা ছিল ১১২.৭৯০ মিটার। অর্থাৎ ১১ সেন্টিমিটার কমেছে। শুক্লাগঞ্জে সতর্কতা স্তর ১১৩ মিটার এবং বিপদসীমা ১১৪ মিটার।

হরিদ্বার ব্যারাজ থেকে ৭০,২৯৯ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে। শনিবার এই পরিমাণ ছিল ৬৭,৮৭১ কিউসেক। অন্যদিকে, নরৌরা ব্যারাজ থেকে ৭১,০৫১ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, যা শনিবারের ৭৭,৮১৯ কিউসেকের তুলনায় ৬,৭৬৮ কিউসেক কম।

জেলাশাসক জানান, জলস্তর কমলেও প্রশাসন গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। বন্যা কবলিত ও সম্ভাব্য বন্যাপ্রবণ এলাকাগুলিতে নজরদারি চলছে। আধিকারিকদের জলস্তর ও জল ছাড়ার পরিস্থিতির উপর নজর রাখার পাশাপাশি যে কোনও পরিস্থিতিতে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande