নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় অভিযুক্তকে স্বাক্ষরের অনুমতি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট তুলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য অনুমতি আদালতের
নয়াদিল্লি, ১৬ সেপ্টেম্বর (হি.স.): নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার শুনানিকারী রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টের ফাস্ট ট্র্যাক আদালত অভিযুক্ত ডা. মনোজ শিরুরেকে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করতে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করার অনুমতি দিয়েছে। বুধবা
নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলায় অভিযুক্তকে স্বাক্ষরের অনুমতি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট তুলে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য অনুমতি আদালতের


নয়াদিল্লি, ১৬ সেপ্টেম্বর (হি.স.): নিট প্রশ্নপত্র ফাঁস মামলার শুনানিকারী রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্টের ফাস্ট ট্র্যাক আদালত অভিযুক্ত ডা. মনোজ শিরুরেকে আয়কর রিটার্ন দাখিলের জন্য ব্যাংক স্টেটমেন্ট সংগ্রহ করতে প্রয়োজনীয় নথিতে স্বাক্ষর করার অনুমতি দিয়েছে। বুধবার বিশেষ বিচারক অজয় গুপ্ত এই নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আদালতে শুনানি চলছে। দিল্লি হাইকোর্ট অভিযুক্ত ধনঞ্জয় লোখান্ডের গ্রেফতারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে দায়ের করা আবেদন খারিজ করেছিল। হাইকোর্ট ধনঞ্জয় লোখান্ডের উপর ২৫ হাজার টাকা জরিমানাও ধার্য করেছিল। এর আগে ২২ আগস্ট রাউজ অ্যাভিনিউ কোর্ট ধনঞ্জয় লোখান্ডের গ্রেফতারি মেমো দেওয়ার দাবিতে করা আবেদন খারিজ করে।

এর আগে ১৪ আগস্ট আদালত সিবিআইকে এই মামলায় আরও তদন্তের অনুমতি দিয়েছিল। ১২ আগস্ট আদালত সিবিআইয়ের দায়ের করা ১৩ জন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জশিটের ভিত্তিতে আমলে নেয়। অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন যশ যাদব, মাঙ্গীলাল বিবাল, দিনেশ বিবাল, বিকাশ বিবাল, শুভম খৈরনার, ধনঞ্জয় লোখান্ডে, প্রহ্লাদ কুলকর্ণী, তেজস হর্ষদ কুমার, ডা. মনোজ শিরুরে, শিবরাজ রঘুনাথ মোটেগাঁওকর, মনীষা ওয়াঘমারে, মনীষা মান্ধারে এবং মনীষা সঞ্জয় হাওলদার। সকল অভিযুক্তই বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

সিবিআই অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারা ৩১৫(৫), ৩১৮(৪), ৬১(২), ২৩৮ ও ৩০৩(২), দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ধারা ১৩(২) ও ১৩(১)(এ) এবং পাবলিক এক্সামিনেশন (প্রিভেনশন অব আনফেয়ার মিনস) আইনের ধারা ১০, ৩, ৪, ৫ ও ১১-এর অধীনে এফআইআর দায়ের করেছিল।

এর আগে আদালত তিন অভিযুক্ত মাঙ্গীলাল বিবাল, বিকাশ বিবাল ও দিনেশ বিবালের লাই ডিটেক্টর পরীক্ষা করার অনুমতি দিতে অস্বীকার করেছিল। চার্জশিটের শুনানির সময় সিবিআই জানিয়েছিল, এই মামলায় ১২ মে এফআইআর দায়ের করা হয়। এরপরই ৭২ জন আধিকারিক এবং আটজন সাইবার ফরেনসিক বিশেষজ্ঞকে নিয়ে তদন্ত শুরু করা হয়। সিবিআই মহারাষ্ট্র, রাজস্থান, হরিয়ানা, দিল্লি-সহ বিভিন্ন রাজ্যের ৯২টি জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছিল। এই মামলায় প্রথম গ্রেফতার করা হয় ১৩ মে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande