কারখানার বদলে জঙ্গল! ডুয়ার্সে বিশ্বকর্মা পুজোয় আরাধনা ‘জীবন্ত গণেশ’ বীর ও কাবেরীর
ডুয়ার্স, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): যেখানে নেই কারখানার যন্ত্রের কোলাহল, নেই চিমনি, সেখানেই অভিনবভাবে পালিত হল বিশ্বকর্মা পুজো। লোহার যন্ত্রপাতির পরিবর্তে এবার পুজো করা হল জঙ্গলের দুই রত্ন কুনকি হাতি ‘বীর’ ও ‘কাবেরী’-কে। শুক্রবার জলপাইগুড়ি বন বিভাগের
হাতির পুজো


ডুয়ার্স, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): যেখানে নেই কারখানার যন্ত্রের কোলাহল, নেই চিমনি, সেখানেই অভিনবভাবে পালিত হল বিশ্বকর্মা পুজো। লোহার যন্ত্রপাতির পরিবর্তে এবার পুজো করা হল জঙ্গলের দুই রত্ন কুনকি হাতি ‘বীর’ ও ‘কাবেরী’-কে। শুক্রবার জলপাইগুড়ি বন বিভাগের বিশেষ উদ্যোগে ময়নাগুড়ির রামসাই মোবাইল ক্যাম্পে বিশ্বকর্মা পুজোর দিন এই ব্যতিক্রমী আয়োজন করা হয়।

পুজোর সময় হাতি দুটির সামনে সাজিয়ে দেওয়া হয় বিভিন্ন ফলমূল ও নৈবেদ্য। বনের দুই ‘জীবন্ত গণেশ’-কে দেখতে সকাল থেকেই রামসাই এবং পার্শ্ববর্তী এলাকা থেকে বহু মানুষ ও পর্যটক সেখানে ভিড় করেন। হাতিদের ঘিরে বনকর্মীদের এই আয়োজন নজর কাড়ে সকলের।

ময়নাগুড়ির রামসাই ও সংলগ্ন জঙ্গল এলাকায় হাতি-মানুষের সংঘাত নতুন ঘটনা নয়। কখনও লোকালয়ে হাতির হানা, আবার কখনও মানুষের অসচেতনতার কারণে বন্যপ্রাণীর ক্ষতির ঘটনা সামনে আসে। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকর্মা পুজোর মাধ্যমে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সহাবস্থানের বার্তা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বন দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, বন্যপ্রাণীর প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও সচেতনতা বাড়ানো এবং হাতি-মানুষের সংঘাত কমিয়ে আনাই এই আয়োজনের অন্যতম উদ্দেশ্য। রামসাইয়ের এই অভিনব পুজো উৎসবের পাশাপাশি প্রকৃতি ও মানুষের সম্পর্কের এক সুন্দর বার্তাও তুলে ধরেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়




 

 rajesh pande