পাইকারি ক্রেতাদের চিনি মজুতের সীমা বাড়ল
নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): উৎসবের মরসুমের আগে পাইকারি ক্রেতাদের জন্য চিনি মজুত রাখার সময়সীমা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৩০ দিন করল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপে শিল্পক্ষেত্রে চিনির সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকার আশা
পাইকারি ক্রেতাদের চিনি মজুতের সীমা বাড়ল


নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর (হি.স.): উৎসবের মরসুমের আগে পাইকারি ক্রেতাদের জন্য চিনি মজুত রাখার সময়সীমা ১৫ দিন থেকে বাড়িয়ে ৩০ দিন করল কেন্দ্রীয় সরকার। সরকারের এই পদক্ষেপে শিল্পক্ষেত্রে চিনির সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি বাজারে দাম স্থিতিশীল থাকার আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত চিনি মজুতের জন্য শুধুমাত্র অগ্রিম অনুমোদন প্রকল্প (এএএস) এবং শুল্কহার কোটা (টিআরকিউ)-র আওতায় আমদানি করা চিনি কেনা যাবে।

উৎসবের মরসুমে চিনির চাহিদা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সেই কথা মাথায় রেখেই শিল্পক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের আরও বেশি সুবিধা দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাদ্য ও গণবণ্টন দফতর জানিয়েছে, খুচরো বাজারে চিনির দাম প্রায় ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমেছে। ব্যবসায়ী ও পাইকারি বিক্রেতাদের কাছে সরকারের আবেদন, কম দামের সুফল যেন তাঁরা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দেন।

খাদ্য ও গণবণ্টন দফতর জানিয়েছে, খোলা বাজার থেকে চিনি কেনার ক্ষেত্রে মজুতের সীমায় কোনও পরিবর্তন করা হয়নি। সেখানে সর্বোচ্চ ১৫ দিনের ব্যবহারের সমপরিমাণ চিনি মজুত রাখা যাবে।

পাইকারি ক্রেতাদের জন্য খাদ্য ও গণবণ্টন দফতরের অনলাইন পোর্টালের মাধ্যমে প্রতি শুক্রবার চিনি মজুতের ঘোষণা এবং সাপ্তাহিক তথ্য জানানোর ব্যবস্থাও করা হয়েছে। স্থিতিশীল ও সুশৃঙ্খল চিনি বাজার বজায় রাখার লক্ষ্যে চিনি ব্যবহারকারী প্রধান পাইকারি ক্রেতাদের সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করে তাঁদের পরামর্শও বিবেচনা করেছে সরকার।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande