পানাগড়ে রাস্তার পাশে মজুত ছাই উড়ছে বাতাসে, ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচলে দুর্ঘটনার শঙ্কা
দুর্গাপুর, ৫ জানুয়ারি (হি. স.) : রাস্তা তুমি কার! ব্যাস্ততম সড়কের পাশেই মজুত হচ্ছে কারখানার ছাই। আর ওই ছাই উড়ছে বাতাসে। ছাই উড়ে দৃশ্যমানতা যেমন কমছে। তেমনই চোখে মুখে ছাই ঢুকে নাকাল পথ চলতি যান চালক থেকে সাধারন মানুষ। ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান চলাচল। দুর্
পানাগড়ে রাস্তার পাশে মজুত ছাই উড়ছে বাতাসে, ঝুঁকি নিয়ে যান চলাচলে দুর্ঘটনার শঙ্কা


দুর্গাপুর, ৫ জানুয়ারি (হি. স.) : রাস্তা তুমি কার! ব্যাস্ততম সড়কের পাশেই মজুত হচ্ছে কারখানার ছাই। আর ওই ছাই উড়ছে বাতাসে। ছাই উড়ে দৃশ্যমানতা যেমন কমছে। তেমনই চোখে মুখে ছাই ঢুকে নাকাল পথ চলতি যান চালক থেকে সাধারন মানুষ। ঝুঁকি নিয়ে চলছে যান চলাচল। দুর্ঘটনার শঙ্কায় আতঙ্কে বাস চলকরা। এমনই ছবি ধরা পড়ল ১৯ নং জাতীয় সড়ক লাগোয়া পানাগড় আরওবি সংলগ্ন এলাকায়।

উল্লেখ্য, ১৯ নং জাতীয় সড়ক ছয় লেন হওয়ার পর পানাগড় বাইপাস তৈরী হয়। বর্ধমান থেকে জাতীয় সড়কের ওপর পানাগড় আরওবির কাছে বাঁ দিকে বাজার যাওয়ার রাস্তা চলে গেছে। জাতীয় সড়কের ওই সংযোগস্থল গুরুত্বপুর্ন যেমন তেমনই দুর্ঘটনাপ্রবন। পানাগড় বাজার থেকে বর্ধমানগামী যেকোন যানবাহন ওই সংযোগস্থল দিয়ে জাতীয় সড়কে ওঠে। দুর্ঘটনা ঠেকাতে ওই জায়গায় পুলিশের নাকা চেকিং পোষ্ট রয়েছে। যানবাহনের গতি কমাতে তৈরী করা হয়েছে দুটি হাম্প। এখন যান চালকদের গোঁদের ওপর বিষ ফোঁড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে রাস্তার পাশে মজুত করা কারখানার ছাই। গত কয়েকদিন ধরে রাস্তার দুপাশে মজুত করা হয়েছে কারখানার ছাই। ওই ছাই গড়িয়ে রাস্তার ওপর ছড়িয়ে পড়েছে। তার ফলে যানবাহনের গতির হাওয়া ছাই উড়ছে বাতাসে। যার জেরে সড়কের ওপর যেমন দৃশ্যমানতা কমছে। তেমনই বাতাসে উড়িয়মান ছাই যান চালক থেকে সাধারন বাসযাত্রীদের চোখে মুখে ঢুকছে। ফলে স্বাভাবিকভাবে দুর্ঘটনার শঙ্কা রয়েছে। বাস চালকদের অভিযোগ,যেভাবে ছাই ফেলা হয়েছে, সেগুলো বাতাসে উড়ছে। চোখে ঢুকছে। চোখ জ্বালা করছে। চোখের ক্ষতি যেমন হবে, তেমনই চোখে ঢোকার পর গাড়ি চালানো ঝুঁকিপূর্ন। যেকোন সময় বেসামাল হয়ে বড়সড় দুর্ঘটনা হতে পারে। যে বা যারাই এভাবে ফেলেছে, সড়ক কর্তৃপক্ষ ও ট্রাফিক বিভাগের বিষয়টি দেখা উচিত। বেনাচিতি বাস মালিক সমিতির আহ্বায়ক নিতাই বসাক জানান, ওই জায়গাটি ছাই ফেলার দরুন ঝুঁকিপুর্ন হয়ে গেছে। যেকোন সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি প্রশাসনের ও সড়ক কর্তৃপক্ষের দেখা উচিত। যে বা যারাই ছাই মজুত করেছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যাবস্থা নেওয়া উচিত। প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষন করছি, যাহাতে দ্রুত রাস্তার ওপর ওই সরানো হোক। পানাগড় ইউনাইটেড ট্রাক ওনার্স অ্যাসোশিয়েশনের সম্পাদক হিরন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এভাবে রাস্তার পাশে ছাই ফেলা কখনই উচিত নয়। শীতকালে হাওয়া বইছে। ওই ছাই উড়ে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা রয়েছে। প্রশাসন ও সড়ক কর্তৃপক্ষের কাছে অনুরোধ ওই ছাই সরিয়ে ফেলা হোক। প্রশ্ন, পাশেই পুলিশের পোষ্ট রয়েছে। ছাই থেকে যান চলাচলে সমস্যা হবে, যেনেও কেন তাদের ছাই ফেলা আটকানো হল না? যদিও আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের এসিপি ট্রাফিক রাজকুমার মালাকার বলেন, এখন কোন অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি দেখা হচ্ছে। জাতীয় সড়ক দুর্গাপুর আঞ্চলিক প্রজেক্ট ডিরেক্টর প্রমোদ কুমার মাহাতো বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখছি। সরজমিন দেখা হবে। প্রয়োজনে ছাই সরানোর ব্যাবস্থা করা হবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / জয়দেব লাহা




 

 rajesh pande