ইডেনের মহালয়ায় সুরের জাদুতে মাতল তিলোত্তমা: ড্রোন শো আর তিন হাজার ঢাকের বাদ্যে জমজমাট শারদোৎসবের সূচনা
কলকাতা, ১০ অক্টোবর (হি.স.) : বহু প্রতীক্ষিত ও বর্ণময় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহালয়ার পবিত্র তিথিতে শনিবার জমজমাট হয়ে উঠল ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেন্স। এদিন একের পর এক চোখধাঁধানো আতসবাজির খেলা, আলোর রোশনাই এবং স্বনামধন্য সঙ্গীত ও নৃ
বর্ণময় অনুষ্ঠানের আয়োজন ইডেন গার্ডেন্সের আকাশেও


কলকাতা, ১০ অক্টোবর (হি.স.) : বহু প্রতীক্ষিত ও বর্ণময় এক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মহালয়ার পবিত্র তিথিতে শনিবার জমজমাট হয়ে উঠল ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেন গার্ডেন্স। এদিন একের পর এক চোখধাঁধানো আতসবাজির খেলা, আলোর রোশনাই এবং স্বনামধন্য সঙ্গীত ও নৃত্যশিল্পীদের মনোজ্ঞ কোরিওগ্রাফিতে মুগ্ধ হলেন উপস্থিত সাধারণ মানুষ। যথারীতি কানায় কানায় পূর্ণ ছিল ইডেন স্টেডিয়ামের গ্যালারি। এদিনের এই মহোৎসবের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ছিল তিন হাজার ঢাকের সমবেত বাদ্য, যা গোটা চত্বরে এক রোমাঞ্চকর পরিবেশের সৃষ্টি করে।

বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী কৌশিকী চক্রবর্তীর সুমধুর কণ্ঠে উদ্বোধনী সঙ্গীতের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর মঞ্চে আসেন জনপ্রিয় শিল্পী শান। গায়ে সাদা পাঞ্জাবি পরিহিত মুম্বইয়ের এই খ্যাতনামা শিল্পী তাঁর জাদুকরী কণ্ঠে ‘জাগো দুর্গা দশপ্রহরিণীধারিণী’ গান গেয়ে শ্রোতাদের মন জয় করে নেন। মঞ্চে দাঁড়িয়ে যখন তিনি ‘দেবী সর্বভূতেষু শক্তিরূপেন সংস্থিতাম’ পরিবেশন করেন, তখন পুরো স্টেডিয়াম জুড়ে এক অন্যরকম আবেগ ছড়িয়ে পড়ে। ইডেনের দুই প্রান্ত থেকে শিল্পীদের এই দ্বৈত সংগীতের সুরের মূর্ছনা উপস্থিত দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে। বিশিষ্ট সুরকার শান্তনু মৈত্র এই অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত থেকে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন এবং অত্যন্ত আকর্ষণীয়ভাবে পুরো অনুষ্ঠানের ঘোষকের ভূমিকা পালন করেন।

অনুষ্ঠানের আকর্ষণ বাড়াতে প্রযুক্তির এক অপূর্ব ব্যবহার দেখা যায় ইডেনের আকাশে। একাধিক উন্নত ড্রোনের সাহায্যে আলোর কারসাজিতে ফুটিয়ে তোলা হয় মহিষাসুর বধ থেকে শুরু করে মা দুর্গার নান্দনিক রূপ, যা আকাশে এক অলৌকিক দৃশ্যের অবতারণা করে। এদিনের এই বিশাল আয়োজনে প্রায় ছয় হাজার শিল্পী ও কলাকুশলী প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ড্রোনের নিখুঁত ব্যবহার ও অত্যাধুনিক কৃৎকৌশল উপস্থিত সকলেরই বিশেষভাবে নজর কেড়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande