
উত্তর ২৪ পরগনা, ২৭ অক্টোবর (হি.স.): উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হল মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের। পুলিশের দাবি, ঘটনার পুনর্নির্মাণের পর ফেরার পথে পুলিশের আগ্নেয়াস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায় অভিযুক্ত। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। এই ঘটনায় তদন্তকারী এক পুলিশ আধিকারিক আহত হয়েছেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
অন্যদিকে, পুলিশের এই পদক্ষেপে সন্তোষ প্রকাশ করেছে নাবালিকার পরিবার। মৃতার বাবা জানান, মেয়েকে আর ফিরে পাবেন না তিনি। তবে পুলিশ যা করেছে, তা ভালো করেছে বলে তাঁর বক্তব্য। অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করেছিল এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন বলেও জানান তিনি।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, লক্ষ্মীপুজোর আগের রাতে মায়ের সঙ্গে একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। ফেরার পথে নিখোঁজ হয়ে যায় সে। পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরদিন সকালে বাড়ির কাছেই একটি বাড়ির পিছন থেকে তার ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। ধর্ষণ করে খুনের অভিযোগ ওঠে।
ঘটনার তদন্তে নেমে গাইঘাটা থানার পুলিশ প্রহ্লাদ দাসকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়। পুলিশের দাবি, ফেরার পথে অভিযুক্ত গুলি চালালে পাল্টা গুলিতে তার মৃত্যু হয়। শিমুলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধানও পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।
হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়