টোটো ইউনিয়নের দখল ঘিরে রণক্ষেত্র সুভাষগ্রাম স্টেশন চত্বর, আহত অন্তত ৫ চালক
সুভাষগ্রাম, ২৯ অক্টোবর (হি.স.): টোটো ইউনিয়নের দখল ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দু''পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন এলাকা। বুধবার গভীর রাতে ঘটা এই সংঘাতের জেরে অন্তত পাঁচ থে
টোটো ইউনিয়নের দখল ঘিরে রণক্ষেত্র সুভাষগ্রাম স্টেশন চত্বর, আহত অন্তত ৫ চালক


সুভাষগ্রাম, ২৯ অক্টোবর (হি.স.): টোটো ইউনিয়নের দখল ও এলাকার নিয়ন্ত্রণ কার হাতে থাকবে, তা নিয়ে দু'পক্ষের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল দক্ষিণ ২৪ পরগনার সুভাষগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন এলাকা। বুধবার গভীর রাতে ঘটা এই সংঘাতের জেরে অন্তত পাঁচ থেকে ছ’জন টোটোচালক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছুদিন ধরেই সুভাষগ্রাম স্টেশন চত্বরে টোটো স্ট্যান্ড ও ইউনিয়ন পরিচালনা নিয়ে চালকদের মধ্যে চাপা উত্তেজনা চলছিল। বুধবার গভীর রাতে সেই বিবাদ চরমে ওঠে। প্রথমে বচসা শুরু হলেও মুহূর্তের মধ্যে তা হাতাহাতি ও মারামারিতে রূপ নেয়। অভিযোগ, বাঁশ, লাঠি ও লোহার রড নিয়ে একে অপরের ওপর চড়াও হয় দু'পক্ষই। স্টেশন চত্বরে দীর্ঘক্ষণ ধরে তাণ্ডব চলায় গভীর রাতে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে পড়ে।

আশ্চর্যের বিষয় হলো, সংঘর্ষে লিপ্ত দুই পক্ষই নিজেদের ভারতীয় জনতা পার্টির শ্রমিক সংগঠন 'ভারতীয় মজদুর সঙ্ঘ' অনুমোদিত ইউনিয়নের প্রকৃত সদস্য ও পদাধিকারী বলে দাবি করেছে। সংগঠনের ভেতরে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ও টোটো স্ট্যান্ডের নিয়ন্ত্রণের দখলদারি থেকেই এই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূত্রপাত বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।

খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সুভাষগ্রাম ফাঁড়ি ও সংশ্লিষ্ট থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই সুভাষগ্রাম স্টেশন চত্বরে থমথমে পরিবেশ বজায় রয়েছে। নতুন করে যাতে অশান্তি না ছড়ায়, সে জন্য স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় কড়া পুলিশি টহল ও নজরদারি চলছে। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande