শুরু হলো ‘প্রজেক্ট পরিচয়’, এক ছাদের তলাতেই মিলবে জন্ম, আধার ও জাতিগত শংসাপত্র
জলপাইগুড়ি, ৩ অক্টোবর (হি.স.) : নবজাতক শিশুদের সরকারি বিভিন্ন শংসাপত্র তৈরি করতে গিয়ে অভিভাবকদের হয়রানি ও ভোগান্তি কমাতে জলপাইগুড়ির মালবাজারে শুরু হলো ‘প্রজেক্ট পরিচয়’ নামের একটি পাইলট প্রজেক্ট। শনিবার মালবাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয়ের কনফারেন
শুরু হলো ‘প্রজেক্ট পরিচয়’, এক ছাদের তলাতেই মিলবে জন্ম, আধার ও জাতিগত শংসাপত্র


জলপাইগুড়ি, ৩ অক্টোবর (হি.স.) : নবজাতক শিশুদের সরকারি বিভিন্ন শংসাপত্র তৈরি করতে গিয়ে অভিভাবকদের হয়রানি ও ভোগান্তি কমাতে জলপাইগুড়ির মালবাজারে শুরু হলো ‘প্রজেক্ট পরিচয়’ নামের একটি পাইলট প্রজেক্ট। শনিবার মালবাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে জলপাইগুড়ির জেলাশাসক অদিতি চৌধুরী আনুষ্ঠানিকভাবে এই জনকল্যাণমুখী প্রকল্পের উদ্বোধন করেন।

মালবাজারের মহকুমা শাসকের বিশেষ উদ্যোগে শুরু হওয়া এই প্রজেক্টের মূল উদ্দেশ্য হলো— নবজাতক শিশুদের অত্যন্ত কম সময়ে এক ছাদের তলা থেকেই জন্ম শংসাপত্র, আধার সংক্রান্ত নথিপত্র এবং তফসিলি জাতি (এসসি) ও তফসিলি উপজাতি (এসটি) পরিবারের শিশুদের ক্ষেত্রে জাতিগত শংসাপত্র প্রদান করা। এর ফলে শিশুর জন্মের পর অভিভাবকদের আর বিভিন্ন সরকারি দফতরে ঘুরে হয়রান হতে হবে না।

এই সমগ্র প্রক্রিয়াটি রূপায়ণে স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য দপ্তর এবং ভারতীয় ডাক বিভাগ যৌথভাবে কাজ করবে। আপাতত মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে পরীক্ষামূলকভাবে এই পরিষেবা শুরু করা হয়েছে। প্রশাসনিক সূত্রে খবর, প্রাথমিক সাফল্যের পর ধাপে ধাপে মহকুমার অন্যান্য হাসপাতালেও এই পরিষেবা সম্প্রসারণ করা হবে।

ভৌগোলিক দিক থেকে মালবাজার মহকুমা এলাকাটি চা বাগান এবং আদিবাসী অধ্যুষিত অঞ্চল দ্বারা বেষ্টিত। ফলে প্রশাসনের ধারণা, এই সমন্বিত পরিষেবার মাধ্যমে দূরদূরান্তের প্রান্তিক অঞ্চলের মানুষ সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলাশাসক অদিতি চৌধুরী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মালবাজারের বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা, নাগরাকাটার বিধায়ক পুনা ভেংরা, মহকুমা শাসক উৎকর্ষ খান্ডাল সহ একাধিক উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিক।

অনুষ্ঠান চলাকালীন কয়েকজন নবজাতক শিশুর অভিভাবকদের হাতে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র ও নথিপত্র সরাসরি তুলে দেওয়া হয়। দ্রুত ও বিনা হয়রানিতে হাতে নথিপত্র পেয়ে প্রশাসনের এই মানবিক ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন অভিভাবকেরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande