
কলকাতা, ৬ নভেম্বর (হি. স. ) : গঙ্গার ঘাট পরিদর্শন শেষে বুধবার পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানিয়েছিলেন,
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে স্থানীয়দের স্বার্থে এ বছর রবীন্দ্র সরোবর ও সুভাষ সরোবরেও ছটপুজোর অনুমতি দেওয়া হবে।” এর পরই রাজ্যের সমস্ত পরিবেশবিদ ও আইনজীবীরা তীব্র প্রতিবাদ শুরু করেন। শুক্রবার তিনি এ ব্যাপারে পিছু হঠতে বাধ্য হন।
এর আগে ২০১৭ সালে ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইবুন্যালের নির্দেশের পর থেকেই রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরে ছটপুজো বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় রাজ্য সরকার। এমনকী, ২০২০ সালে ছটপুজো করতে দিতে চেয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করেও জোর ধাক্কা খেয়ে ফিরে এসে তা বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছিল বিগত তৃণমূল সরকার।
বিশিষ্ট পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত, মোহিত রায়, সোমেন্দ্র মোহন ঘোষরা গ্রিন ট্রাইবুনালের নির্দেশের কথা উল্লেখ করে দক্ষিণ কলকাতার ফুসফুস রবীন্দ্র সরোবরে ছটপুজো না করার জন্য কেএমডিএ-র কাছে আবেদন করেছিলেন।
তা সত্বেও অগ্নিমিত্রা জানিয়েছিলেন,
“বিগত সরকারের আমলে রাজনীতি করে হিন্দুদের উৎসব বন্ধ করা হয়েছিল। এখন আর বন্ধ করা হবে না। কিন্তু তাঁর সেই ঘোষণা থেকে পিছু হটলেন মন্ত্রী।
কীভাবে ছটপুজোর পুণ্যার্থীদের জন্য পাটুলি, নোনাডাঙা, যোধপুর পার্ক ও পোদ্দারনগরে বিকল্প ঘাট তৈরি করা হয় তারও বিস্তারিত তথা পুরমন্ত্রীর কাছে এদিন পাঠিয়েছেন কেএমডিএ-এর ইঞ্জিনিয়ারাররা। এর পরই বিকল্পের সন্ধানে নেমে পড়েন পুরমন্ত্রী। সব মিলিয়ে রবীন্দ্র ও সুভাষ সরোবরের বিকল্প হিসাবে ৫০টি জলাশয় তৈরি রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুরমন্ত্রী।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / মৌসুমী সেনগুপ্ত