নেপালে উদযাপিত হচ্ছে ‘কাক তিহার’, কাকদের সুস্বাদু খাবার খাইয়ে চলছে বিশেষ পুজো
কাঠমান্ডু, ৭ নভেম্বর (হি.স.) : প্রতিবেশী দেশ নেপালে শনিবার সকালে কাকদের সুস্বাদু ও উপাদেয় খাবার খাইয়ে অত্যন্ত উৎসাহ ও ভক্তির সঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ‘কাগ তিহার’। সনাতন হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস ও পৌরাণিক মত অনুযায়ী, কাককে মৃত্যু ও ন্যায়ের দেবতা
নেপালে উদযাপিত হচ্ছে ‘কাক তিহার’, কাকদের সুস্বাদু খাবার খাইয়ে চলছে বিশেষ পুজো


কাঠমান্ডু, ৭ নভেম্বর (হি.স.) : প্রতিবেশী দেশ নেপালে শনিবার সকালে কাকদের সুস্বাদু ও উপাদেয় খাবার খাইয়ে অত্যন্ত উৎসাহ ও ভক্তির সঙ্গে উদযাপিত হচ্ছে ঐতিহ্যবাহী ‘কাগ তিহার’। সনাতন হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস ও পৌরাণিক মত অনুযায়ী, কাককে মৃত্যু ও ন্যায়ের দেবতা যমরাজের বার্তাবাহক বা দূত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই ‘কাক তিহার’ উৎসবটি প্রধানত ত্রয়োদশী (তেরস) তিথিতে উদযাপন করা হয়। উল্লেখ্য, এটি নেপালের আলো ও আনন্দের সবচেয়ে বড় উৎসব পাঁচ দিনব্যাপী ‘তিহার’ বা ‘যমপঞ্চক’ উৎসবের প্রথম দিনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। নেপাল পঞ্চাঙ্গ নির্ণায়ক বিকাশ সমিতির সভাপতি ড. পুরুষত্তম ভাট্টরাই জানান, ধর্মীয় শাস্ত্র ও পঞ্জিকার বিধান অনুযায়ী ‘কাক তিহার’ সবসময় ত্রয়োদশী তিথির সকালেই পালন করা বিধেয়। এই প্রাচীন শাস্ত্রীয় বিধান ও লগ্ন মেনেই আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় এই উৎসব পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পবিত্র এই উপলক্ষটিকে কেন্দ্র করে এদিন নেপালের কাগেশ্বরী মনহরা পৌরসভার বিখ্যাত কাগেশ্বরী মহাদেব মন্দিরে বিশেষ পূজার্চনার আয়োজন করা হয়েছে। একই সঙ্গে রাজধানী কাঠমান্ডুর ঐতিহাসিক হনুমানধোকা চত্বরে অবস্থিত কাগেশ্বরী মন্দিরেও রীতি মেনে কাকদের বিশেষ উপায়ে পুজো করা হচ্ছে। তিহার উৎসবের নেপথ্যে মূল ধর্মীয় বিশ্বাস হলো, দেবতা যমরাজ মানবজাতির পাপ বা খারাপ কাজের জন্য শাস্তি দেন, অন্যদিকে সৎ ও ভালো কাজ করার মানুষদের রক্ষা করে তিনি স্বয়ং ‘ধর্মরাজ’-এর রূপ ধারণ করেন। তাই এই দিনে যমরাজের দূত কাককে খাদ্য নিবেদন করে অশুভ শক্তি দূর করার প্রার্থনা করা হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande