আগরতলায় জাতীয়স্তরের কারুশিল্প মেলা ও হজাগিরি নৃত্য উৎসবের সূচনা
আগরতলা, ১১ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : ত্রিপুরার প্রাচীন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরাকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে আগরতলায় শিশু উদ্যানে দু’দিনব্যাপী জাতীয়স্তরের ঐতিহ্যগত কারুশিল্প মেলা ও হজাগিরি নৃত্য উৎসবের সূচনা হল বুধবার। জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্
মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা


আগরতলা, ১১ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : ত্রিপুরার প্রাচীন ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরাকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে আগরতলায় শিশু উদ্যানে দু’দিনব্যাপী জাতীয়স্তরের ঐতিহ্যগত কারুশিল্প মেলা ও হজাগিরি নৃত্য উৎসবের সূচনা হল বুধবার। জনজাতি কল্যাণমন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা উৎসবের উদ্বোধন করেন। জনজাতি গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের উদ্যোগে আয়োজিত এই উৎসব বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান রাজ্য সরকার জনজাতিদের ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও চিরাচরিত খাদ্যাভ্যাস পুনরুজ্জীবিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ব্লক স্তর পর্যন্ত নতুন প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্য পৌঁছে দিতে জনজাতি গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, শান্তি বজায় থাকলে ত্রিপুরা বিকশিত হবে এবং সবার সহযোগিতায় রাজ্যকে শ্রেষ্ঠ রাজ্যে পরিণত করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

এই মেলায় অসম, ছত্তিশগড়, অরুণাচল প্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, মেঘালয় এবং ত্রিপুরার বিভিন্ন মহকুমা ও দফতরের মোট ৫০টি স্টল খোলা হয়েছে। স্টলগুলিতে আগরবাতি, ফুলদানী, রিসা-পাছড়া, চাদর, শাড়ি, টুপি, হেজাক লাইটসহ নানা কুটির শিল্প পণ্য এবং বিভিন্ন ধরনের খাবার ও আচার বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

অনুষ্ঠানের সম্মানিত অতিথি আগরতলা পুর নিগমের মেয়র তথা বিধায়ক দীপক মজুমদার বলেন, এই মেলা বিভিন্ন রাজ্যের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও পরম্পরা সংরক্ষণ ও প্রচার-প্রসারের গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন জনজাতি গবেষণা ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের অধিকর্তা রত্নজিৎ দেববর্মা। অনুষ্ঠানের শুরুতে বন্দে মাতরম গীত পরিবেশিত হয়। উদ্বোধনের পর শিল্পীরা হজাগিরি, চাকমা ও সাঁওতালসহ বিভিন্ন সমবেত নৃত্য এবং যাদুকলিজা সংগীত পরিবেশন করেন।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande