(আপডেট) প্রয়াত আবু হাসেম খান চৌধুরী, ৮৯ বছরে জীবনাবসান প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
মালদা, ৯ এপ্রিল (হি.স.): প্রয়াত হলেন মালদা দক্ষিণের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবু হাসেম খান চৌধুরী, যিনি ডালু নামেই পরিচিত। বুধবার রাত ১০.১০ মিনিটে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। দীর্
প্রয়াত আবু হাসেম খান চৌধুরী


মালদা, ৯ এপ্রিল (হি.স.): প্রয়াত হলেন মালদা দক্ষিণের প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ তথা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আবু হাসেম খান চৌধুরী, যিনি ডালু নামেই পরিচিত। বুধবার রাত ১০.১০ মিনিটে কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। ডালুর পুত্র ঈশা খান চৌধুরী মালদা দক্ষিণের বর্তমান কংগ্রেস সাংসদ। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। বুধবার রাতে হাসপাতালেই শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। খবর পেয়ে তাঁর ভাগ্নি তথা এবারের বিধানসভা ভোটে কংগ্রেসের প্রার্থী মৌসম নুর কলকাতায় আসেন। ভোটের আবহে ডালুর মৃত্যুতে মালদার পাশাপাশি গোটা পশ্চিমবঙ্গে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।

আবু হাসেম খান চৌধুরী ১৯৩৮ সালের ১২ জানুয়ারি মালদার খান চৌধুরী পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর অগ্রজ এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এ বি এ গনি খান চৌধুরীর নির্দেশনায় তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। অগ্রজের প্রয়াণের পর, তিনি মালদায় কংগ্রেস সংগঠনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে জেলার রাজনীতিতে এক উল্লেখযোগ্য প্রভাব বজায় রাখেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত তিনি কালিয়াচক বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে, ২০০৯ সাল থেকে তিনি মালদা দক্ষিণ লোকসভা কেন্দ্রের সাংসদ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ২০১২ সালে, সংযুক্ত প্রগতিশীল জোট সরকারের দ্বিতীয় মেয়াদে, তাঁকে মন্ত্রী পরিষদে অন্তর্ভুক্ত করা হয় এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি বেশ কিছুদিন সক্রিয় রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন এবং গত লোকসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। বর্তমানে তাঁর পুত্র ঈশা খান চৌধুরী মালদা দক্ষিণ কেন্দ্রের কংগ্রেস সাংসদ। তাঁর ভ্রাতুষ্পুত্রী মৌসম বেনজির নূর বর্তমান নির্বাচনে মালতিপুর বিধানসভা কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

ডালুর আর এক দাদা প্রয়াত আবু নাসের খান চৌধুরী ২০১১ সালে রাজ্যে কংগ্রেস-তৃণমূল জোট সরকারের মন্ত্রী হয়েছিলেন। দিদি প্রয়াত রুবি নূর ছিলেন দীর্ঘ দিনের কংগ্রেস বিধায়ক। রুবির কন্যা মৌসম বেনজির নূর সুজাপুরের কংগ্রেস বিধায়ক এবং মালদা উত্তরের কংগ্রেস সাংসদ ছিলেন। ২০১৯-এ তৃণমূলে যোগ দিলেও সম্প্রতি রাজ্যসভার সাংসদ পদ ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরে বিধানসভা ভোটে মালতীপুর আসনে প্রার্থী হয়েছেন মৌসম।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande