অনূর্ধ্ব - ১৩, অম্বর রায় সাব জুনিয়র ক্রিকেটে বর্ষার আগাম ইঙ্গিতেই থমকে গেল
কলকাতা , ১ মে (হি. স.) : বর্ষার আগাম ইঙ্গিতেই থমকে গেল সাব-জুনিয়র ক্রিকেট। ‘সিএবি-র দ্বারা অম্বর রায় সাব-জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-১৩) নক আউট’ টুর্নামেন্টের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের দিন সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা ছিল, রাতভর বৃষ্টিতে মাঠের অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে,
অনূর্ধ্ব - ১৩, অম্বর রায় সাব জুনিয়র ক্রিকেটে বর্ষার আগাম ইঙ্গিতেই থমকে গেল


কলকাতা , ১ মে (হি. স.) : বর্ষার আগাম ইঙ্গিতেই থমকে গেল সাব-জুনিয়র ক্রিকেট। ‘সিএবি-র দ্বারা অম্বর রায় সাব-জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-১৩) নক আউট’ টুর্নামেন্টের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালের দিন সকাল থেকেই আকাশ মেঘলা ছিল, রাতভর বৃষ্টিতে মাঠের অবস্থা এমন দাঁড়ায় যে, একটিও ম্যাচ শুরু করা সম্ভব হয়নি। শেষমেশ আয়োজকদের বাধ্য হয়ে নিতে হয় পুরনো নিয়ম—‘স্পিন অব কয়েন’-এর আশ্রয়।

একসঙ্গে আটটি ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ায় প্রতিযোগিতার সূচিতে পড়ে যায় বড়সড় ধাক্কা। অপেক্ষায় থাকা খুদে ক্রিকেটারদের হতাশ মুখই বলছিল সব কথা। তবে সময়ের চাপে সিদ্ধান্তে দেরি না করে কয়েন টসে নির্ধারিত হয় কোয়ার্টার ফাইনালের আটটি দল।

ভাগ্যদেবীর সহায়তায় পরবর্তী পর্বে উঠে যায়—বান্ধব সমিতি, বেঙ্গল স্পোর্টিং ক্লাব, সুকান্ত নগর ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, টোয়েন্টি টু ইয়ার্ডস স্পোর্টস স্কুল, গায়েশপুর স্পোর্টস অ্যাকাডেমি, কলকাতা পুলিশ সার্জেন্ট ইনস্টিটিউট ক্রিকেট অ্যাকাডেমি, সুভাষ ইনস্টিটিউট বারাসত এবং বিধাননগর মিউনিসিপ্যাল স্পোর্টস অ্যাকাডেমি।

মাঠে লড়াই নয়, কয়েনেই ভাগ্য নির্ধারণ—এমন দৃশ্য সচরাচর দেখা যায় না। তবু প্রতিযোগিতা চালিয়ে নিতে এই সিদ্ধান্তই যে ছিল একমাত্র পথ, তা মানছেন সংশ্লিষ্টরা। এখন সকলের নজর কোয়ার্টার ফাইনালে—আবহাওয়া সঙ্গ দিলে, সেখানেই ফের ব্যাট-বলের আসল লড়াই দেখার অপেক্ষা।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande