সরকারি কর্মচারীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা, বিতর্কিত সার্কুলার প্রত্যাহারের দাবিতে সরব এসইউসিআই(সি
কলকাতা, ২১ মে (হি.স.): রাজ্য সরকারের নতুন সার্কুলারকে কেন্দ্র করে এবার তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হলো। সরকারি কর্মচারীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযোগ তুলল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) বা এসইউসিআই (সি)।
রাজ্য সচিবালয় নবান্নের তরফেও বিঞ্জপ্তি জারি


কলকাতা, ২১ মে (হি.স.): রাজ্য সরকারের নতুন সার্কুলারকে কেন্দ্র করে এবার তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হলো। সরকারি কর্মচারীদের স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে বলে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে জোরালো অভিযোগ তুলল এসইউসিআই (কমিউনিস্ট) বা এসইউসিআই (সি)। বৃহস্পতিবার দলের রাজ্য সম্পাদক চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য এক বিবৃতিতে মুখ্যসচিবের প্রকাশিত এবং পরবর্তীতে সামান্য সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির কড়া সমালোচনা করেন।

​দলের তরফে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, বিভিন্ন মহলের চাপের মুখে পড়ে বিজ্ঞপ্তিতে কিছুটা সংশোধন করা হলেও, সংশ্লিষ্ট সার্কুলারের মূল নির্যাস একই রয়ে গেছে। এর ফলে সরকারি কর্মচারী, আধা-সরকারি সংস্থা এবং কর্পোরেশনের কর্মীদের সংবিধান প্রদত্ত স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকারকে কার্যতঃ অত্যন্ত সীমিত ও সংকুচিত করে দেওয়া হয়েছে। এসইউসিআই (কমিউনিস্ট)-এর দাবি, সরকারের নীতি বা কাজের সমালোচনা করা, পূর্বানুমতি ছাড়া সংবাদপত্রে লেখালেখি কিংবা সম্পাদনা করা এবং সংবাদমাধ্যমের কোনো বিতর্কে অংশগ্রহণের ওপর এই নির্দেশিকার মাধ্যমে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

​এদিন প্রকাশিত এক বিবৃতিতে চণ্ডীদাস ভট্টাচার্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দাবি করেন, “রাজ্য সরকার আসলে সমস্ত সরকারি কর্মচারীদের নিজেদের তল্পিবাহকে পরিণত করতে চাইছে।” রাজ্য প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে ‘কালা সার্কুলার’ বলে আখ্যা দিয়ে তিনি অবিলম্বে তা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে এই স্বৈরাচারী নির্দেশিকার বিরুদ্ধে সমস্ত সরকারি কর্মচারী, শ্রমজীবী মানুষ এবং সাধারণ নাগরিকদের বৃহত্তর আন্দোলনে শামিল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande