
কলকাতা, ৬ মে (হি.স.): শুক্রবার, ৮ মে সন্ধ্যায় বিজেপি বিধায়কদের বৈঠক। আগামী ৯ মে, পঁচিশে বৈশাখ ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রীর শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। এ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনার জন্য নবান্নে গিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। রাজ্য প্রশাসনের সদর দফতরে ঢোকার আগে বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলে যান, ভোট-পরবর্তী হিংসা বরদাস্ত করা হবে না। বিজেপিতে তৃণমূলীকরণ চলবে না। এ নিয়েও আলোচনা হবে।
শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ৮ মে বিকেল ৪টে নাগাদ পরিষদীয় দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হবেন। ৯ মে সকাল ১০টায় শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী, আমাদের সর্বভারতীয় সভাপতি, বিজেপির সমস্ত প্রবীণ নেতা এবং ২০টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা এই অনুষ্ঠানে (শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে) উপস্থিত থাকবেন।
বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল এবং দলের অন্যান্য নেতারা একটি বৈঠকে যোগ দিতে এদিন নবান্নে এসে পৌঁছন। বুধবার দুপুর ৩টে নাগাদ শমীক নবান্নে প্রবেশ করেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক তথা পশ্চিমবঙ্গের বিজেপি পর্যবেক্ষক সুনীল বনসল। ছিলেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক জ্যোতির্ময় মাহাতো এবং সৌমিত্র খাঁ। উদ্দেশ্য, ব্রিগেডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সংক্রান্ত বিষয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালার সঙ্গে আলোচনা করা। নবান্নে যাওয়ার পথে শমীক আবারও ভোট-পরবর্তী হিংসা নিয়ে মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘‘বিজেপির পতাকা নিয়ে কেউ যদি তৃণমূল কংগ্রেসকে আক্রমণ করে, তার দায় এই মুহূর্তে বিজেপি নেবে না। কারণ, এখনও আমরা ক্ষমতায় আসিনি।’’
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ