উত্তর করিমগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন বিজেপির পরাজিত প্রার্থী সুব্রত ভট্টাচার্য
শ্রীভূমি (অসম), ৭ মে (হি. স.) : উত্তর করিমগঞ্জ বিধানসভা আসনে শাসকদল বিজেপির শোচনীয় পরাজয়ের পর বৃহস্পতিবার জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে উত্তর করিমগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিজেপির পরাজিত প্রার্থী সুব্রত
Subrata bhattacharjee


শ্রীভূমি (অসম), ৭ মে (হি. স.) : উত্তর করিমগঞ্জ বিধানসভা আসনে শাসকদল বিজেপির শোচনীয় পরাজয়ের পর বৃহস্পতিবার জেলা বিজেপি কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে উত্তর করিমগঞ্জবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বিজেপির পরাজিত প্রার্থী সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, “জনতার রায় মাথা পেতে নিয়েছি।”

সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জেলা বিজেপি সভাপতি সঞ্জীব বণিক, বিভিন্ন মণ্ডল সভাপতি এবং দলীয় নেতাকর্মীরা। এবারের নির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে লড়াই করা প্রাক্তন জেলা সভাপতি সুব্রত ভট্টাচার্য ফলাফল নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন, “রাজ্যে আবারও ড. হিমন্ত বিশ্ব শর্মার নেতৃত্বে সরকার গঠন হতে চলেছে। কিন্তু উত্তর করিমগঞ্জের ফলাফল সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়েছে।”

পরাজয়ের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্প জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেওয়া হলেও মুসলিম সম্প্রদায়ের ভোট সেই অনুপাতে বিজেপির ঝুলিতে আসেনি।

সুব্রত ভট্টাচার্য আরও দাবি করেন, “মহিলাদের ১০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা প্রদানের পর ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছ থেকে প্রায় ২০ হাজার ভোট পাওয়ার আশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে তা হয়নি।” পাশাপাশি তিনি বলেন, এআইইউডিএফ প্রার্থী প্রত্যাশিতভাবে ভোট কাটতে পারেননি, যার প্রভাবও নির্বাচনের ফলে পড়েছে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, উত্তর করিমগঞ্জে জনসংখ্যার সমীকরণ অন্যান্য আসনের তুলনায় আলাদা। অন্যান্য বহু কেন্দ্রে হিন্দু ভোটের হার বেশি থাকায় বিজেপি প্রার্থীরা সহজেই জয়ী হয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আয়োজিত সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইতিবাচক মনোভাবের পরিচয় দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ভট্টাচার্য। নবনির্বাচিত বিধায়ক জাকারিয়া আহমেদকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্রে ভোটে হারজিত থাকবেই। জনতার রায়কে তিনি সম্মানের সঙ্গে গ্রহণ করেছেন।

সুব্রত ভট্টাচার্য বলেন, নির্বাচনের আগে যেভাবে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছেন, ভবিষ্যতেও ঠিক একইভাবে জনসেবার কাজ চালিয়ে যাবেন। মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়ানোই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র ও রাজ্যে তাঁদের সরকার রয়েছে। দল তাঁকে যে দায়িত্ব অর্পণ করবে, সেই দায়িত্ব তিনি নিষ্ঠা ও গুরুত্ব সহকারে পালন করবেন। রাজনৈতিক ফলাফল যাই হোক না কেন, মানুষের হয়ে মানুষের পাশে থেকে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি ।

হিন্দুস্থান সমাচার / স্নিগ্ধা দাস




 

 rajesh pande