ফ্রিজ হওয়া আরও চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার দাবিতে হাইকোর্টে 'কালীঘাট তৃণমূল', আপাতত নির্দেশ দিল না আদালত
কলকাতা, ২৭ আগস্ট (হি. স.): ফ্রিজ করে দেওয়া আরও চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলো ''কালীঘাট তৃণমূল'। তবে আদালত আপাতত এই অ্যাকাউন্টগুলি পুনরায় চালু করা বা সেগুলিতে লেনদেনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে কোনো অন্তর্বর্তী
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়


কলকাতা, ২৭ আগস্ট (হি. স.): ফ্রিজ করে দেওয়া আরও চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার দাবি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলো 'কালীঘাট তৃণমূল'। তবে আদালত আপাতত এই অ্যাকাউন্টগুলি পুনরায় চালু করা বা সেগুলিতে লেনদেনের অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে কোনো অন্তর্বর্তী নির্দেশ দিতে অস্বীকার করেছে। বৃহস্পতিবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের এজলাসে মামলাটির শুনানি হয়।

আদালত রাজ্য সরকারকে হলফনামা পেশ করে নিজেদের অবস্থান জানানোর নির্দেশ দিয়েছে। এর জবাবে কালীঘাট তৃণমূলকেও পাল্টা হলফনামা জমা দিতে হবে। উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক শোনার পরই ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টগুলি চালু করার আর্জি নিয়ে আদালত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

এই চারটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টই হরিশ মুখার্জি রোডে অবস্থিত একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় রয়েছে। সম্প্রতি পুলিশ এই অ্যাকাউন্টগুলি ফ্রিজ করেছিল। পুলিশের এই পদক্ষেপকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে কালীঘাট তৃণমূল।

আবেদনে অ্যাকাউন্টগুলি পুনরায় চালু করার পাশাপাশি দৈনন্দিন কাজকর্ম পরিচালনার জন্য জমা থাকা অর্থ ব্যবহারের অনুমতি চাওয়া হয়েছে। সংগঠনের তরফে জানানো হয়, তাদের প্রায় ২১৫ জন কর্মী রয়েছেন এবং তাঁদের বেতন বকেয়া রয়েছে। ফলে কর্মীদের বেতন মেটানোর স্বার্থে অর্থ তোলার ছাড়পত্র দেওয়ার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়।

এর পাশাপাশি বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় চলতে থাকা তদন্তের ওপর স্থগিতাদেশ জারিরও দাবি জানিয়েছে কালীঘাট তৃণমূল। যদিও আদালত আপাতত সংগঠনের কোনো দাবি মেনেই অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেয়নি।

শুনানিকালে বিচারপতি ভট্টাচার্য মন্তব্য করেন, এর আগে একটি বেসরকারি ব্যাঙ্কের চারটি অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার মামলায় আদালত প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছিল। তবে বর্তমান মামলায় এখনই কোনো জরুরি অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারি করা হচ্ছে না। রাজ্য এবং কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষ থেকে হলফনামা জমা দেওয়ার পরেই আদালত এই বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande