যুব সমাজকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার ওপর মনোযোগ দিয়েছে ভারত সরকার : প্রধানমন্ত্রী
নয়াদিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবার ২০-তম রোজগার মেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় নবনিযুক্ত যুবক-যুবতীদের মধ্যে ৫১,০০০-এরও বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ করেছেন। এই রোজগার মেলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র
প্রধানমন্ত্রী


নয়াদিল্লি, ১৯ সেপ্টেম্বর (হি.স.): প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শনিবার ২০-তম রোজগার মেলায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বিভিন্ন সরকারি সংস্থায় নবনিযুক্ত যুবক-যুবতীদের মধ্যে ৫১,০০০-এরও বেশি নিয়োগপত্র বিতরণ করেছেন। এই রোজগার মেলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, দেশে উৎসবের মরসুম শুরু হয়ে গেছে। এই উৎসবের মাঝে, আজকের দিনটি হাজার হাজার পরিবারের জীবনে এক নতুন আনন্দ নিয়ে এসেছে। আজ দেশজুড়ে ৫১,০০০-এরও বেশি তরুণ-তরুণী সরকারি চাকরির জন্য নিয়োগপত্র পাচ্ছেন। আপনারা ভারত সরকারে এমন এক সময়ে যোগ দিচ্ছেন যখন দেশ একটি বড় লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলেছে—২০৪৭ সালের মধ্যে একটি 'বিকশিত ভারত' গড়ার লক্ষ্য। এই প্রচেষ্টায় আপনাদের মতো তরুণদের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। সরকারের অংশ হিসেবে, আপনাদের প্রতিটি সিদ্ধান্ত 'বিকশিত ভারত' এবং 'আত্মনির্ভর ভারত'-এর অভিযানকে ক্রমাগত শক্তিশালী করতে সহায়ক হওয়া উচিত। তরুণ হিসেবে, আপনাদের সহযাত্রী তরুণদের প্রতি একটি বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে। এখন আমরা দেখছি, কীভাবে আমাদের তরুণদের প্রতিভা এবং দক্ষতা সমগ্র বিশ্বের আস্থা অর্জন করেছে। বিশ্ব আমাদের উদ্ভাবক, উদ্যোক্তা এবং যুবশক্তির কাছে উচ্চ প্রত্যাশা রাখে। মাত্র কয়েকদিন আগে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন শেষ হয়েছে। ভারত এটা নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছে যে ব্রিকস সহযোগিতা যেন কেবল সরকারগুলির মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে; বরং আমাদের উদ্যোক্তা, কৃষক, নারী এবং তরুণ—সকলেই যেন এতে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী হন। এই দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েই 'ব্রিকস কানেক্ট' এবং 'ব্রিকস এমএসএমই কো-অপারেশন পোর্টাল'-এর মতো উদ্যোগগুলো চালু করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন, বিগত কয়েক বছরে ভারত প্রায় ৪০টি দেশের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষর করেছে। এই এফটিএগুলি আমাদের যুবকদের জন্য সুযোগের নতুন দরজা খুলে দিচ্ছে। এই ধরনের বাণিজ্য চুক্তিগুলি আমাদের উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন অংশীদারিত্বের পথ প্রশস্ত করে, নতুন বাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দেয় এবং আমাদের তরুণদের জন্য নতুন কর্মজীবনের সম্ভাবনা তৈরি করে। ভারত সরকার ধারাবাহিকভাবে যুব সমাজকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করার উপর মনোযোগ দিয়েছে—সেটা জাতীয় শিক্ষা নীতি, স্কিল ইন্ডিয়া মিশন, প্রধানমন্ত্রী কৌশল বিকাশ যোজনা, বা শিক্ষানবিশকে উৎসাহিত করার প্রচেষ্টার মাধ্যমেই হোক না কেন। আমাদের লক্ষ্য হল, আমাদের যুবকদের শিক্ষা এবং দক্ষতা যেন পরিবর্তনশীল অর্থনীতির চাহিদার সাথে তাল মিলিয়ে চলে। এর একটি উদাহরণ হল পিএম সেতু প্রকল্প; ৬০,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে ১,০০০টি সরকারি আইটিআই-কে আধুনিকীকরণ করা হচ্ছে, এবং এই প্রক্রিয়ায় শিল্পের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়েছে।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande