রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমির উদ্যোগে সূচনা তিনদিনব্যাপী কীর্তন কর্মশালার
কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বর ( হি. স): বুধবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি আয়োজিত তিনদিনব্যাপী ''কীর্তন কর্মশালা''র সূচনা হলো। বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার কলকাতার টালিগঞ্জে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি ভবনে আয়োজন করা হয় এই কর্মশালার।
রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমির উদ্যোগে আয়োজিত  তিন দিনব্যাপী কীর্তন কর্মশালা


রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমির উদ্যোগে আয়োজিত  তিন দিনব্যাপী কীর্তন কর্মশালা


রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমির উদ্যোগে আয়োজিত  তিন দিনব্যাপী কীর্তন কর্মশালা


কলকাতা, ২৩ সেপ্টেম্বর ( হি. স): বুধবার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি আয়োজিত তিনদিনব্যাপী 'কীর্তন কর্মশালা'র সূচনা হলো। বুধবার, বৃহস্পতিবার এবং শুক্রবার কলকাতার টালিগঞ্জে অবস্থিত পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সঙ্গীত আকাদেমি ভবনে আয়োজন করা হয় এই কর্মশালার। কর্মশালার উদ্বোধন করেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি বিভাগ এবং পর্যটন বিভাগের রাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী। উল্লেখ্য, এই কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন মোট ৩০ জন শিক্ষার্থী।

এ দিন কর্মশালার শুরুতে পুষ্পস্তবক এবং উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানানো হয় রাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী এবং রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের পদাবলী কীর্তন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডঃ কঙ্কনা মিত্রকে। রাষ্ট্রমন্ত্রী পূর্ণিমা চক্রবর্তী বলেন, বাংলার সাহিত্য এবং সঙ্গীতের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে কীর্তন। এই প্রসঙ্গে তিনি ভাগ করে নেন কলকাতায় তাঁর নগরকীর্তনে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা। শুক্রবার থেকে শুরু হতে চলা তিন দিন ব্যাপী গৌড়ীয় নৃত্য কর্মশালার বিষয়টিও তিনি ঘোষণা করেন এ দিন তাঁর বক্তব্যের মাঝেই। এও বলেন, বাংলার ঐতিহ্য এবং পরম্পরা এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিশারি হলো যুবসমাজ। এদিনের কীর্তন কর্মশালায় সেই যুবসমাজের একাংশের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের বিষয়টির প্রশংসা করেন তিনি। বাংলার ঐতিহ্যকে ভারত তথা বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়ার বার্তা দেন এবং কর্মশালার সাফল্য কামনা করেন।

ডঃ কঙ্কনা মিত্র তাঁর বক্তব্য উল্লেখ করেন বাংলার পদাবলী কীর্তনের প্রায় হাজার বছরের ইতিহাসের প্রসঙ্গ। তিনি রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে পদাবলী কীর্তনের স্নাতকোত্তর বিভাগের পড়ুয়াদের জন্য বিশেষ বৃত্তি বা অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা করার বিশেষ আর্জি জানান এদিন।

---------------

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৃজিতা বসাক




 

 rajesh pande