কঙ্গোয় সেনাবিমান ভেঙে পড়ল জনবসতিপূর্ণ এলাকায়, দুই জেনারেল সহ নিহত ১৪
কিনশাসা, ২৬ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : মধ্য আফ্রিকার দেশ গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর (ডিআরসি) দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে শুক্রবার এক মর্মান্তিক সেনাবিমান দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের এক আধিকারিক, জওয়ান ও সাধারণ নাগরিক সহ অন্তত ১৪ জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে। আন্তর্জা
কঙ্গোয় সেনাবিমান ভেঙে পড়ল


কিনশাসা, ২৬ সেপ্টেম্বর (হি. স.) : মধ্য আফ্রিকার দেশ গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গোর (ডিআরসি) দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে শুক্রবার এক মর্মান্তিক সেনাবিমান দুর্ঘটনায় সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের এক আধিকারিক, জওয়ান ও সাধারণ নাগরিক সহ অন্তত ১৪ জনের করুণ মৃত্যু হয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, বিমানটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমের শহর কিকউইট থেকে রাজধানী কিনশাসার দিকে যাচ্ছিল। যাত্রাপথে আচমকাই বিমানটিতে তীব্র যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়। বিপদ বুঝে পাইলট কাওয়াঙ্গো প্রদেশের কেনগে এলাকায় বিমানটিকে তড়িঘড়ি অবতরণ করানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেন। তবে সেখানে কোনো নির্দিষ্ট ল্যান্ডিং স্ট্রিপ বা রানওয়ে না থাকায় বিমানটি সোজা একটি জনবসতিপূর্ণ এলাকার ওপর ভেঙে পড়ে।

কাওয়াঙ্গোর ডেপুটি গভর্নর রেমিস সাকি বুকিন্ডা জানান, কেনগে এলাকায় বিমান নামার জন্য কোনো উপযুক্ত রানওয়ে বা এয়ারস্ট্রিপ ছিল না। যার ফলে অবতরণের চেষ্টা করার সময় বিমানটি সরাসরি জনবসতিপূর্ণ এলাকায় আছড়ে পড়ে বিধ্বস্ত হয়।

কঙ্গো সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল এফোমি একেনগে নিশ্চিত করেছেন যে, মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় মোট ১৪ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। তিনি জানান, বিমানে সওয়ার সমস্ত যাত্রীরই মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ১২ জনের দেহ এমনভাবে পুড়ে গেছে যে প্রাথমিকভাবে তাঁদের শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। দুর্ঘটনায় বিমানটি সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যায় এবং পাইলটের দেহ ধ্বংসাবশেষের বাইরে উদ্ধার করা হয়।

সামরিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে সাধারণ নাগরিক ছাড়াও দুই শীর্ষ জেনারেলের সাথে সফররত একটি উচ্চপর্যায়ের সরকারি প্রতিনিধি দলের সদস্য ও সেনা জওয়ানরা ছিলেন।

মর্মান্তিক এই বিপর্যয়ের পরই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। বিমানে ঠিক কী ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিয়েছিল এবং জরুরি অবতরণের মুহূর্তে কী ঘটেছিল, তা সহ সমস্ত দিক পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande