শিক্ষকরাই ভবিষ্যৎ গড়ার কারিগর হাফলংয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ৬৫তম শিক্ষক দিবস, কৃতী ও অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের সম্মাননা
হাফলং (অসম), ৫ সেপ্টেম্বর (হি স) সমাজ ও জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করে শনিবার হাফলংয়ে পালিত হল ৬৫তম জাতীয় শিক্ষক দিবস। জেলা গ্রন্থাগার অডিটোরিয়াম হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষকদের ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ সম্মাননা দেওয়ার পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত শ
DSC


হাফলং (অসম), ৫ সেপ্টেম্বর (হি স) সমাজ ও জাতি গঠনে শিক্ষকদের অবদানের কথা স্মরণ করে শনিবার হাফলংয়ে পালিত হল ৬৫তম জাতীয় শিক্ষক দিবস। জেলা গ্রন্থাগার অডিটোরিয়াম হলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে কৃতী শিক্ষকদের ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ সম্মাননা দেওয়ার পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদেরও সংবর্ধিত করা হয়।

ডিমা হাসাও স্বশাসিত পরিষদের মুখ্য কার্যনির্বাহী সদস্য দেবোলাল গার্লোসা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বক্তব্যে তিনি জেলার শিক্ষা ক্ষেত্রে পরিকাঠামোগত ও শিক্ষাগত অগ্রগতির কথা তুলে ধরে প্রত্যন্ত এলাকার ছাত্রছাত্রীদের কাছে মানসম্মত শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার জন্য শিক্ষক সমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ডিমা হাছাও স্বশাসিত পরিষদের চেয়ারম্যান মোহিত হোজাই বলেন, ‘‘শিক্ষকরা শুধু শিক্ষা দেন না, তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের মন ও চরিত্র গড়ে তোলেন।’’ শিক্ষকদের নিষ্ঠা ও আত্মনিবেদনের প্রশংসা করে তিনি তাঁদের ভূমিকার গুরুত্ব তুলে ধরেন।

প্রদীপ প্রজ্বলনের পর ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও মাল্যদান করা হয়। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে নিম্ন প্রাথমিক, মধ্য প্রাথমিক, উচ্চ বিদ্যালয় ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের নির্বাচিত শিক্ষকদের ‘শ্রেষ্ঠ শিক্ষক’ পুরস্কার প্রদান করা হয়। পাশাপাশি গত এক বছরে অবসর নেওয়া শিক্ষকদেরও দীর্ঘ শিক্ষাসেবার স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অমিত পোর্ভোসা। বক্তব্য রাখেন জেলা অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের মনোজ নাবেনসা। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও প্রবীণ শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানে যোগ হয় বিশেষ মাত্রা। শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বিদ্যালয় পরিদর্শক এজরা রালসুনা লালসিম।

হিন্দুস্থান সমাচার / বিশাখা দেব




 

 rajesh pande