পুলিশের সঙ্গে বচসা ও ধস্তাধস্তি, আটক ডেরেক-সহ ৮ সাংসদ
নয়াদিল্লি, ৯ জানুয়ারি (হি.স.): আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতরে ইডির হানার প্রতিবাদ এ বার পৌঁছল দিল্লিতে। শুক্রবার সকালে তৃণমূলের আট জন সাংসদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের বাইরে বিক্ষ
পুলিশের সঙ্গে বচসা ও ধস্তাধস্তি, আটক ডেরেক-সহ ৮ সাংসদ


নয়াদিল্লি, ৯ জানুয়ারি (হি.স.): আইপ্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের লাউডন স্ট্রিটের বাড়ি এবং সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতরে ইডির হানার প্রতিবাদ এ বার পৌঁছল দিল্লিতে। শুক্রবার সকালে তৃণমূলের আট জন সাংসদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দফতরের বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। ঘণ্টা দেড়েক বিক্ষোভ চলার পরে পুলিশ তাঁদের জোর করে তোলার চেষ্টা করলে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। তৃণমূল সাংসদদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয় পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায়।

ডেরেক ও’ব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র, কীর্তি আজাদ, বাপি হালদার, শতাব্দী রায়, সাকেত গোখলে, প্রতিমা মণ্ডল, শর্মিলা সরকারের মতো তৃণমূলের মোট আট সাংসদ হাজির ছিলেন প্রতিবাদ-বিক্ষোভে। ধর্না চলাকালীন সাংসদদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় পুলিশের। বাপিকে কার্যত পাঁজাকোলা করে সরিয়ে দেয় পুলিশ। সাকেতকেও টেনে নিয়ে ভ্যানে তোলে পুলিশ। তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় পার্লামেন্ট স্ট্রিট (সংসদ মার্গ) থানায়। ধস্তাধস্তির সময় পুলিশের উদ্দেশে ডেরেককে বলতে শোনা যায়, ‘‘আমাদের সাংসদদের গায়ে হাত দেবেন না।’’

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ




 

 rajesh pande