ক্রেশার মেশিনের দাপটে কদমতলায় পরিবেশ বিপর্যয়, ক্ষুব্ধ গ্রামবাসী
কদমতলা (ত্রিপুরা), ২৬ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : শুকনো মৌসুমে ধুলাবালি ও বিকট শব্দের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা ব্লকের কুর্তি ঝেরঝেরি গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকায় একাধিক পাথর ভাঙার ক্রেশার মেশিন স্থাপন এবং বিকল্প জাত
কদমতলায় বায়ু দূষণ


কদমতলা (ত্রিপুরা), ২৬ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : শুকনো মৌসুমে ধুলাবালি ও বিকট শব্দের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন উত্তর ত্রিপুরা জেলার কদমতলা ব্লকের কুর্তি ঝেরঝেরি গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দারা। এলাকায় একাধিক পাথর ভাঙার ক্রেশার মেশিন স্থাপন এবং বিকল্প জাতীয় সড়কের নির্মাণকাজ চলায় পরিবেশ পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

এলাকাবাসীর দাবি, এক ব্যক্তির জমি ভাড়ায় নিয়ে একই স্থানে কয়েকটি ক্রেশার মেশিন বসানো হয়েছে। এর ফলে প্রতিদিন ব্যাপক হারে ধুলাবালি ছড়িয়ে পড়ছে এবং মেশিনের বিকট শব্দে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। বাড়ির ভেতরে থাকা দুষ্কর হয়ে উঠেছে বলে জানান গ্রামবাসীরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ক্রমাগত ধুলাবালির কারণে গাছপালা, বসতবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বয়স্ক ও শিশুরা শ্বাসকষ্টসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছেন। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাতেও বিঘ্ন ঘটছে। এমনকি মেশিনের তীব্র শব্দে মোবাইল ফোনের রিংটোন পর্যন্ত শোনা যায় না বলে দাবি বাসিন্দাদের।

অন্যদিকে, বিকল্প জাতীয় সড়কের নির্মাণকাজের জন্য নিয়মিত মাটি ও নির্মাণসামগ্রী বোঝাই ভারী যানবাহন চলাচল করায় ধুলাবালির মাত্রা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে বলে অভিযোগ।

এই অবস্থায় পরিবেশ ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে স্থানীয় প্রশাসন, জেলা প্রশাসন এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগীরা।

তবে ক্রেশার মালিকদের বক্তব্য, তারা নিয়ম মেনে জল ছিটিয়ে ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। বৃষ্টিপাত না হওয়ায় কিছু ধুলা উড়ছে এবং রাস্তার কাজের কারণেও বালু ছড়াচ্ছে বলে দাবি তাদের। সমস্যা সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন মালিকপক্ষ।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande