নীতি আয়োগের সহযোগিতায় ত্রিপুরায় ইনোভেশন মিশন চালু
আগরতলা, ২৬ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : জাতীয় সংকল্প ‘বিকশিত ভারত-২০৪৭’, আত্মনির্ভর ভারত ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ত্রিপুরা স্টেট ইনোভেশন মিশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো বৃহস্পতিবার। হাঁপানিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী
ইনোভেশন মিশন শুরু


আগরতলা, ২৬ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : জাতীয় সংকল্প ‘বিকশিত ভারত-২০৪৭’, আত্মনির্ভর ভারত ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে সাযুজ্য রেখে ত্রিপুরা স্টেট ইনোভেশন মিশনের আনুষ্ঠানিক সূচনা হলো বৃহস্পতিবার। হাঁপানিয়ায় আন্তর্জাতিক প্রদর্শনী কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহা স্টেট ইনোভেশন মিশন-ত্রিপুরা এবং টি-নেস্ট (ত্রিপুরা নাচারিং এন্ট্রাপ্রেনারশিপ অ্যান্ড স্টার্টআপস)-এর উদ্বোধন করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, নীতি আয়োগের সহযোগিতায় ত্রিপুরা দেশের প্রথম রাজ্য হিসেবে এই ধরনের মিশন চালু করার গৌরব অর্জন করেছে। বর্তমানে রাজ্য সচিবালয় থেকে গ্রাম পঞ্চায়েত স্তর পর্যন্ত সরকারি কাজ সম্পূর্ণ পেপারলেস পদ্ধতিতে সম্পন্ন হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন। তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনকে শিল্প উদ্যোগে রূপান্তর করাই সরকারের লক্ষ্য বলে জানান তিনি। টি-নেস্ট কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভাবনকে বাজারের সঙ্গে যুক্ত করে বিনিয়োগের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, নীতি আয়োগের সহায়তায় রাজ্যে আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স (এআই) নীতি প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে। আগরতলা স্মার্ট সিটিতে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় এআই প্রযুক্তি প্রয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি আইটি ও ডাটা ইকোনমিক জোন স্থাপনের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। গত এক বছরে ১৫ হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ প্রস্তাব এসেছে এবং ৯১টি প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তি, মহাকাশ এবং প্রধানমন্ত্রীর দফতর সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ জিতেন্দ্র সিং বলেন, এই উদ্যোগ উত্তর-পূর্বাঞ্চলের প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়নে নতুন দিগন্ত খুলবে। নীতি আয়োগের ভাইস চেয়ারম্যান সুমন বেরী উদ্ভাবনকে বিকশিত ভারতের চালিকাশক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

এদিন টিআইএফটি ও অটল ইনোভেশন মিশনের মধ্যে স্টেটমেন্ট অব ইন্টেন্ট এবং ত্রিপুরা সরকার ও টি-হাবের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande