কোচবিহার বিমানবন্দরে ফের অনিশ্চয়তা: টানা দুই সপ্তাহ নামল না বিমান, দুশ্চিন্তায় জেলাবাসী
কোচবিহার, ২৭ ফেব্রুয়ারি (হি. স.): কোচবিহার বিমানবন্দরে বিমান পরিষেবা নিয়ে ফের একবার চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে একদিন বিমান চলাচলের ঘোষণা থাকলেও, গত ১৯ ফেব্রুয়ারির পর ২৬ ফেব্রুয়ারি কোনও বিমান অবতরণ করেনি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পরিষেবা পুনরায় চালু
কোচবিহার বিমানবন্দরে ফের অনিশ্চয়তা: টানা দুই সপ্তাহ নামল না বিমান, দুশ্চিন্তায় জেলাবাসী


কোচবিহার, ২৭ ফেব্রুয়ারি (হি. স.): কোচবিহার বিমানবন্দরে বিমান পরিষেবা নিয়ে ফের একবার চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে একদিন বিমান চলাচলের ঘোষণা থাকলেও, গত ১৯ ফেব্রুয়ারির পর ২৬ ফেব্রুয়ারি কোনও বিমান অবতরণ করেনি। গত ১২ ফেব্রুয়ারি পরিষেবা পুনরায় চালু হওয়ার দিনই শেষবার এখানে বিমান নেমেছিল। এরপর টানা দুই সপ্তাহ উড়ান না আসায় শহরজুড়ে নানা চর্চা শুরু হয়েছে।

তথ্য অনুযায়ী, রাজ আমল থেকেই কোচবিহার থেকে নিয়মিত বিমান পরিষেবা চালু ছিল। কিন্তু বাম জমানায় অনিয়মিত পরিষেবা চলার পর ১৯৯৫ সালে তা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। ২০১১ সালে রাজ্যে নতুন সরকার গঠনের পর কিছু সময়ের জন্য ফের পরিষেবা শুরু হলেও কয়েক বছরের মধ্যেই তা ফের বন্ধ হয়ে যায়।

প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের উদ্যোগে ২০২৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে ৯-সিটারের বিমান পরিষেবা শুরু হয়েছিল। কেন্দ্র সরকারের ‘উড়ান’ (উড়ে দেশ কা আম নাগরিক) প্রকল্পের অধীনে এই পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছিল। কিন্তু গত ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সেই পরিষেবাও বন্ধ হয়ে যায়। এরপর প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট মহলের তৎপরতায় বিমান সংস্থা ১২ ফেব্রুয়ারি থেকে সপ্তাহে একদিন উড়ান চালানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

বিমানবন্দর সূত্রে খবর, আগামী ৫ মার্চের পর থেকে নিয়মিত পরিষেবা শুরু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ফলে স্থানীয় মানুষের মধ্যে স্থায়ী পরিষেবার আশা জেগেছিল। কিন্তু এক সপ্তাহ পরিষেবা দেওয়ার পর টানা দুই সপ্তাহ বিমান না নামায় ফের প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে, সংস্থাটি সত্যিই কোচবিহারে পরিষেবা চালিয়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কতটা গম্ভীর।

এই বিষয়ে এয়ারপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (এএআই)-র কোচবিহার বিমানবন্দরের আধিকারিক শুভাশিস পাল জানান, বিমান সংস্থাটি ‘অপারেশনাল গ্রাউন্ড’ বা পরিচালনগত সমস্যার কথা জানিয়ে উড়ান বাতিল করার তথ্য দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা এবং ব্যবসায়ী সংগঠনগুলির নজর এখন ৫ মার্চের পর সম্ভাব্য নিয়মিত পরিষেবার দিকে। এখন দেখার, কোচবিহার বিমানবন্দর থেকে স্থায়ীভাবে বিমান চলাচল শুরু হয় কি না।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande