বিরল রোগের সচেতনতায় পুর-অভিযানে বাধা অর্থাভাব, সিএসআর ফান্ডের অভাব নিয়ে সরব ডেপুটি মেয়র
কলকাতা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (হি. স.): বিরল রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা গড়তে পুরসভার পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেই কাজ থমকে রয়েছে বলে শুক্রবার স্বীকার করে নিলেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। এদিন কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজ
বিরল রোগের সমীক্ষায় এক আলোচনাচক্র


কলকাতা, ২৭ ফেব্রুয়ারি (হি. স.): বিরল রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা গড়তে পুরসভার পক্ষ থেকে বিশেষ অভিযান প্রয়োজন। কিন্তু আর্থিক সংকটের কারণে সেই কাজ থমকে রয়েছে বলে শুক্রবার স্বীকার করে নিলেন কলকাতা পুরসভার ডেপুটি মেয়র অতীন ঘোষ। এদিন কলকাতা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোকপাত করেন।

​ডেপুটি মেয়র জানান, শহর জুড়ে বিরল রোগের সমীক্ষা ও সচেতনতা অভিযান দ্রুত শুরু করা প্রয়োজন। কিন্তু পর্যাপ্ত অর্থের জোগান না থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তা সম্ভব হচ্ছে না। আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ম্যারাথন দৌড় বা অন্যান্য বিনোদনমূলক ইভেন্টে বড় বড় স্পন্সর পাওয়া গেলেও, বিরল রোগের মতো জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে শিল্পপতিরা এগিয়ে আসছেন না। কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (সিএসআর) ফান্ড থেকেও কোনো সাহায্য মিলছে না।

​এদিন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে আয়োজিত এক আলোচনা চক্রে ড. দীপাঞ্জনা দত্ত জানান, কলকাতা শহরে ১১,৩০০টি পরিবারের ওপর সমীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে ৭২টি পরিবারের মধ্যে জেনেটিক বা জিনগত ঝুঁকি রয়েছে। এর মধ্যে ১১টি ক্ষেত্রে বিরল রোগের উপস্থিতিও লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

​এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় আশা কর্মীদের সক্রিয়ভাবে যুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন অতীন ঘোষ। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডে এই সচেতনতা কার্যক্রম চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে। কলকাতা পুরসভার মেডিক্যাল অফিসারদের এই কাজে সরাসরি যুক্ত করে পরিকল্পনার বাস্তব রূপায়ণ সম্ভব হলে তবেই সুফল মিলবে বলে তিনি আশাপ্রকাশ করেন।

​উল্লেখ্য, ‘অর্গানাইজেশন ফর রেয়ার ডিজিজ ইন্ডিয়া’ এবং ‘রেয়ার ওয়ারিয়র্স অফ বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশন’-এর পক্ষ থেকে কলকাতা পুরসভার সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande