তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণ
কলকাতা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ( হি. স.) : সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণ শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির আবহে ক্রীড়া জগৎ থেকে তাঁর এই রাজনীতিতে পদার্পণ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিব
স্বপ্না বর্মণ


কলকাতা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ( হি. স.) : সোনাজয়ী অ্যাথলিট স্বপ্না বর্মণ শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে তুলে নিলেন। বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতির আবহে ক্রীড়া জগৎ থেকে তাঁর এই রাজনীতিতে পদার্পণ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

স্বপ্না বর্মণ ২০১৮ সালের এশিয়ান গেমসে স্বর্ণপদক বিজয়ী। এর আগে ২০১৭ সালের এশিয়ান অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপেও তিনি সোনা জিতেছিলেন। রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘ লড়াই এবং তাঁর কর্মপদ্ধতি থেকে অনুপ্রাণিত হয়েই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তৃণমূল কংগ্রেসের সদর দফতরে রাজ্যের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু এবং চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তাঁকে দলে স্বাগত জানান। বিশিষ্ট নাট্যকার তথা অভিনেতা ব্রাত্য বসু স্বপ্নার অসামান্য সাফল্যকে রুপোলি পর্দার ক্রীড়াভিত্তিক চলচ্চিত্রের সঙ্গে তুলনা করে অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে বলেন, “চাক দে স্বপ্না।” তৃণমূল ভবনে দলের সদস্যপদ গ্রহণ করার পর স্বপ্না বর্মণ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বহুমুখী উন্নয়নমূলক কাজ আমাকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। আজ আমি তাঁর সেই কর্মযজ্ঞে শামিল হতেই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছি।”

গত বেশ কিছুদিন ধরে জল্পনা চলছিল যে স্বপ্না বর্মণ ভারতীয় জনতা পার্টিতে (বিজেপি) যোগ দিতে পারেন এবং নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন। স্বপ্না সেই সমস্ত জল্পনায় ইতি টেনে তৃণমূল কংগ্রেসের হাত ধরলেন।

উল্লেখ্য, স্বপ্না বর্মণের রাজনৈতিক ময়দানে নামা নিয়ে আগে থেকেই জল্পনা তুঙ্গে ছিল। গত জানুয়ারি মাসে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন শিলিগুড়ি সফরে গিয়েছিলেন এবং সেখানে 'মহাকাল মহাতীর্থ'-এর শিলান্যাস করেছিলেন, সেই অনুষ্ঠানে তিনি স্বপ্নাকে বিশেষভাবে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। মঞ্চে তাঁদের দীর্ঘ কথোপকথন রাজনৈতিক মহলের নজর কেড়েছিল ।

এদিকে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়ির বিশিষ্ট পরিবারের বংশধর স্বপ্নার যোগদানে আসন্ন নির্বাচনে ডুয়ার্স এবং উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায় শাসক দল বাড়তি সুবিধা পেতে পারে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande