ভবানীপুরে ভোটার তালিকা থেকে ৪৭ হাজার নাম বাদ, খসড়া ভোটার তালিক প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য
কলকাতা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : রাজ্যে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে ভোটার তালিকার পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। শনিবার প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, দক্ষিণ ক
ভবানীপুরে ভোটার তালিকা থেকে ৪৭ হাজার নাম বাদ, খসড়া ভোটার তালিক প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য


কলকাতা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : রাজ্যে ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্র ভবানীপুরে ভোটার তালিকার পুনর্বিবেচনা (এসআইআর) ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে। শনিবার প্রকাশিত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, দক্ষিণ কলকাতার এই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র থেকে মোট ৪৭ হাজার ৯৪ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। পাশাপাশি ১৪ হাজার ১৫৪ জন ভোটারকে ‘বিবেচনাধীন’ তালিকায় রাখা হয়েছে, যাদের নথিপত্র যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

​নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, মৃত বা স্থানান্তরিত ভোটারদের নাম এবং একাধিকবার অন্তর্ভুক্ত নাম চিহ্নিত করার প্রক্রিয়ার ফলেই এই বড়সড় কাটছাঁট হয়েছে। তবে বিষয়টি অত্যন্ত রাজনৈতিক তাৎপর্য বহন করছে; কারণ ২০২১ সালের ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫৮ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে বাদ পড়া ভোটারের সংখ্যা সেই জয়ের ব্যবধানের কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ায় আগামী নির্বাচনে ফলাফলের সমীকরণ বদলে যেতে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

​এই ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক অবস্থান নিয়েছে। রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, যেসব নাম বাদ পড়েছে সেগুলোর অধিকাংশই ছিল ভুয়ো বা মৃত ভোটারের। তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে পুনরায় ভবানীপুর থেকেই নির্বাচনে লড়ার চ্যালেঞ্জও ছুঁড়ে দেন। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও একই সুরে বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি আর আগের মতো নেই।

​অন্যদিকে, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে দলীয় সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে যে, প্রয়োজনে তাঁরা আইনি পদক্ষেপের পথ খোলা রাখছেন। সব মিলিয়ে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক-বিরোধী তরজা ক্রমশ তীব্রতর হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande