বাবা ও ছেলের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে, দুশ্চিন্তায় বাসন্তীর পরিবার
বাসন্তী, ২৮ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : ভোটার কার্ড, আঁধার কার্ড, ১৯৯৬ সালের ভোটার তালিকায় নাম এমনকি ১৯৭৩ সালের জমির দলিলও রয়েছে। কিন্তু তবু সংশোধিত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ল বাবা ও ছেলের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর শিবগঞ্জের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ বর ও
বাবা ও ছেলের নাম বাদ ভোটার তালিকা থেকে, দুশ্চিন্তায় বাসন্তীর পরিবার


বাসন্তী, ২৮ ফেব্রুয়ারি (হি. স.) : ভোটার কার্ড, আঁধার কার্ড, ১৯৯৬ সালের ভোটার তালিকায় নাম এমনকি ১৯৭৩ সালের জমির দলিলও রয়েছে। কিন্তু তবু সংশোধিত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ল বাবা ও ছেলের। দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীর শিবগঞ্জের বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ বর ও তাঁর ছেলে প্রসেনজিৎ বরের নাম বাদ পড়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকায় তাঁদের নামের উপর ডিলিটেড লেখা রয়েছে। শনিবার সেই তালিকা প্রকাশ পেতেই ভেঙে পড়েছেন পরিবারের সকল সদস্যরা।

মাত্র সপ্তাহ দুয়েক আগেই রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী গত হয়েছেন। এসআইআর শুনানিতে স্বামী ও সন্তানকে ডাকার পর থেকেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। আর তাঁর মৃত্যুর পর এক মাস কাটতে না কাটতেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ গেল স্বামী ও সন্তানের। শুধুমাত্র ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম না থাকার কারণেই তাঁদেরকে চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে দাবি মিঠুনের। তিনি বলেন, “ আমার জন্ম ১৯৯৬ সালে। জন্ম সার্টিফিকেট রয়েছে। তাহলে আমার নাম কীভাবে থাকবে ২০০২ এর ভোটার তালিকায়! আমার যাবতীয় প্রমাণ পত্র রয়েছে, তবুও আমার নাম বাদ গিয়েছে তালিকা থেকে। এবার কী আমাদের এই এলাকা ছেড়ে চলে যেতে হবে! বৃদ্ধ বাবা, ছোট্ট সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে কোথায় যাবো! আর কেনই বা যাবো?” রবীন্দ্রনাথ বলেন, “ আমি ১৯৯৬ সাল থেকে ভোট দিই। ১৯৬৬ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে আমার ঠাকুরদার। তবুও আজ আমাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। শুনানির সময় সমস্ত কাগজপত্র দেখিয়েছি, তবুও আমাদের নাম বাদ গেল। আমরা চাই নির্বাচন কমিশন সঠিক ভাবে তদন্ত করুক আর আমাদের নাম তালিকায় তুলুক।”

সূত্রের খবর, এই দুজনের নয়, বাসন্তী ব্লকের এমন বহু মানুষ রয়েছেন যাদের নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকা থেকে ডিলিট করা হয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বরা ইতিমধ্যেই এ বিষয়ে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। বাসন্তী ব্লক তৃণমূলের নেতা রাজা গাজী বলেন, “ কেন্দ্রের নির্বাচন কমিশন বিজেপির অঙ্গুলি হেলনে এই কাজ করছে। তবে এসব করে কিছুই হবে না। ২০২৬ এর নির্বাচনে তৃণমূল রেকর্ড আসনে জিতবে। যারা সঠিক ভোটার তাঁদের নামও তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে। আমাদের দলের নেতৃত্ব এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন। আমরাও সাথে আছি। দলের নির্দেশ পেলেই এ নিয়ে আমরা বৃহত্তর প্রতিবাদে সামিল হব।”

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / পার্সতি সাহা




 

 rajesh pande