
কলকাতা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (হি. স.): ঝাড়গ্রামের বাঁশতলায় জুনিয়র হাইস্কুলের শিক্ষক রাজীব দাসের উদ্যোগে গড়ে ওঠা 'রুট কালচারাল অ্যান্ড ওয়েলফেয়ার সোসাইটি' ও 'বিন্দুর পাঠশালা'-র যে পথচলা, তা থামানো যাবে না। এই অঙ্গীকারের পাশাপাশি দোল উৎসবকে সামনে রেখে শনিবার বসন্ত উৎসব পালন করা হলো। হোলির আগে এদিন এক বর্ণময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। ছোটদের গান, কবিতা পাঠ, রবীন্দ্রনৃত্য ও লোকনৃত্যের পাশাপাশি মায়েদের পাতা নাচে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এদিনের সমগ্র অনুষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, 'বিন্দুর পাঠশালা'-কে গত ডিসেম্বরে খড়দহের ‘আহশ্বাস ফাউন্ডেশন’ ক্রাউড ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে আর্থিক সাহায্য প্রদান করে। এর মাধ্যমেই উপহার হিসেবে তারা স্মার্ট টিভি ও স্মার্টফোন তুলে দেয়। বর্তমানে ঢাকুরিয়ার ‘স্বপ্ন’ ও ‘আহশ্বাস’-এর সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবকেরা অনলাইন ক্লাস এগিয়ে নিয়ে চলেছেন।
এদিনের উৎসবে বিশেষ অতিথি অঙ্কিতা ভট্টাচার্য ছাত্রছাত্রীদের হাতে বিশ্ব, দেশ ও রাজ্যের মানচিত্র তুলে দেন। তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির অনাগ্রহ এবং মায়েদের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সক্রিয়তা কমে যাওয়া বর্তমানে অন্যতম উদ্বেগের কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।
প্রসঙ্গত, রাজীব দাসের অকালপ্রয়াণের পরও তাঁর মা এবং সংস্থার অন্যান্য সদস্যরা গ্রামের কাজ নিরলসভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন। স্থানীয়দের আশা, এই মহৎ কাজে আরও যোগ্য ও আগ্রহী মানুষের যোগদান প্রয়োজন। সরকারের পক্ষ থেকে সহায়ক পরিকল্পনা গ্রহণ করলে এই স্বপ্নের বাস্তব রূপায়ণ অচিরেই সম্ভব হবে।
হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত