দোল-হোলিকে সামনে রেখে আগরতলার বাজারে রঙের বাহার, ক্রেতার অপেক্ষায় ব্যবসায়ীরা
আগরতলা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : দোল পূর্ণিমা ও হোলি উৎসবকে সামনে রেখে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে রঙের বাহার দেখা যাচ্ছে। সাদা, লাল, সবুজ, গেরুয়া, হলুদ, নীলসহ নানা রঙের আবিরে সেজে উঠেছে রাজধানী আগরতলার বাজারগুলি। যদিও এখনও বেচাকেনায় পুরোপুরি জোয়ার আসেনি
বাজারে বাহারি আবির


আগরতলা, ২৮ ফেব্রুয়ারি (হি.স.) : দোল পূর্ণিমা ও হোলি উৎসবকে সামনে রেখে রাজ্যের বিভিন্ন বাজারে রঙের বাহার দেখা যাচ্ছে। সাদা, লাল, সবুজ, গেরুয়া, হলুদ, নীলসহ নানা রঙের আবিরে সেজে উঠেছে রাজধানী আগরতলার বাজারগুলি। যদিও এখনও বেচাকেনায় পুরোপুরি জোয়ার আসেনি, তবু ভালো ব্যবসার আশায় দিন গুনছেন ব্যবসায়ীরা।

আগামী ৩ মার্চ মঙ্গলবার দোল পূর্ণিমা পালিত হবে। তার পরদিন রাজ্যে হোলি উৎসব উদযাপিত হবে। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে বাজারে আবিরের পসরা সাজিয়ে বসেছেন বিক্রেতারা। এবছর বিশেষভাবে হারবাল আবিরের চাহিদা চোখে পড়ার মতো। প্রতি কেজি হারবাল আবির ১০০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বাজারের এক রং ব্যবসায়ী জানান, সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই দাম রাখা হয়েছে, যাতে সবাই উৎসবের আনন্দে সামিল হতে পারেন। গত বছর ভালো ব্যবসা হয়েছিল বলেও জানান তিনি। এ বছর এখনও ক্রেতার ভিড় না জমলেও শেষ মুহূর্তে বিক্রি বাড়বে বলে আশা প্রকাশ করেন ব্যবসায়ীরা।

শুধু আবির নয়, রং খেলার নানা সামগ্রীও বিক্রি হচ্ছে দেদার। বাজারে এসেছে নতুন ধরনের ‘হোলি সিলিন্ডার’, যার দাম প্রতিটি ৮০০ টাকা থেকে শুরু। বিভিন্ন রঙের ধোঁয়া ছড়ানো ‘হোলি স্মোক’-এর দাম ৪০০ টাকা। এছাড়া ওয়াটার গ্লাস ৪০ টাকা, ওয়াটার বেলুনের প্যাকেট ১০ টাকা এবং শিশুদের বিভিন্ন ধরনের মাস্ক ৩০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের দাবি, এ বছর প্রাকৃতিক রঙের চাহিদাই বেশি।

তবে এখনও রঙের বাজার পুরোপুরি জমে ওঠেনি। ব্যবসায়ীদের মতে, শহরের যানজটের কারণে অনেক ক্রেতাই বড় বাজারে আসতে পারছেন না। এর সুযোগে বিভিন্ন এলাকায় ছোটখাটো অস্থায়ী দোকান গড়ে উঠেছে এবং সেখান থেকেই অনেকেই রং সংগ্রহ করছেন। তবে উৎসব যতই ঘনিয়ে আসছে, বাজারে ক্রেতার ভিড় ততই বাড়বে বলে আশাবাদী ব্যবসায়ীরা।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande