
হাওড়া, ১ মার্চ (হি. স.):- ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই থেকে শুরু করে নতুন নাম অন্তর্ভুক্তি ও সংশোধনের দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেওয়া— সব কাজই নিষ্ঠার সঙ্গে করেছেন তিনি। অথচ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর দেখা গেল, সেই বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও)-এর নিজের নামই তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। ঘটনাটি ১৭২ নম্বর শিবপুর বিধানসভার ৭৬ নম্বর পার্টের।রবিবার একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষক ও বিএলও নবীন চন্দ্র সাধুখাঁ অভিযোগ করেন, প্রয়োজনীয় সমস্ত নথি জমা দেওয়া সত্ত্বেও তাঁর নাম ‘ডিলিট’ দেখানো হয়েছে। তাঁর কথায়, “নিয়োগপত্র, শিক্ষাগত শংসাপত্র, পুরনো ওবিসি সার্টিফিকেট, আধার—সবই জমা দিয়েছি। ১৩টি গ্রহণযোগ্য নথির মধ্যে অন্তত তিন ধরনের কাগজ দিয়েছি। তবু নাম বাদ গেল।” একই পার্টে আরও ৩৪ জনের নাম মুছে যাওয়ার দাবিও করেছেন তিনি।নবীনবাবুর দাবি, ১৯৮৭ সাল থেকে তিনি কলকাতার বাসিন্দা। ২০০২ সালে কর্মসূত্রে বাইরে থাকলেও স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করেননি। জেলা নির্বাচন দফতর থেকে সংশোধনের আশ্বাস মিললেও চূড়ান্ত তালিকায় নাম ফেরেনি। ফলে তিনি পুনরায় ফর্ম ৬ জমা দিয়েছেন।ঘটনায় প্রশাসনিক ত্রুটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। যিনি ভোটার তালিকা প্রস্তুতির দায়িত্বে, তাঁর নামই যদি তালিকায় না থাকে, তবে দায় নেবে কে— সেই প্রশ্নই ঘুরছে শিবপুর এলাকায়।
হিন্দুস্থান সমাচার / এ. গঙ্গোপাধ্যায়