দলবদল নিয়ে তরজা তৃণমূল-বিজেপিতে, পাত্রসায়েরে যোগদান ঘিরে বিতর্ক
বাঁকুড়া, ২৫ মার্চ (হি.স.) : ভোটের মুখে বাঁকুড়ায় দলবদলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পাত্রসায়েরে বিজেপির এক বুথ স্তরের নেতাসহ প্রায় ৩০টি পরিবারের মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তৃণমূলে যোগদান ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠে
দলবদল নিয়ে তরজা তৃণমূল-বিজেপিতে, পাত্রসায়েরে যোগদান ঘিরে বিতর্ক


বাঁকুড়া, ২৫ মার্চ (হি.স.) : ভোটের মুখে বাঁকুড়ায় দলবদলকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে তীব্র বাকযুদ্ধ শুরু হয়েছে। পাত্রসায়েরে বিজেপির এক বুথ স্তরের নেতাসহ প্রায় ৩০টি পরিবারের মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তৃণমূলে যোগদান ঘিরে রাজনৈতিক তরজা চরমে উঠেছে।

তৃণমূলের দাবি, পাত্রসায়ের ব্লকের আড়গোড়া বুথে বিজেপির যুব মোর্চার এক বুথ সভাপতিসহ প্রায় ৩০টি পরিবার তাদের দলে যোগ দিয়েছে। নবাগতদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি তথা ওন্দার তৃনমূল প্রার্থী সুব্রত দত্ত। তাঁর দাবি, এই যোগদানে এলাকায় তৃণমূলের সংগঠন আরও শক্তিশালী হয়েছে।

অন্যদিকে, এই দাবিকে ‘নাটক’ বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। দলের প্রার্থী দিবাকর ঘরামি বলেন, “নাটক করতেও শিক্ষার প্রয়োজন হয়, তৃণমূলের সেই জ্ঞানও নেই।” তাঁর দাবি, বিজেপির সংগঠনে ‘যুব মোর্চার বুথ সভাপতি’ বলে কোনও পদই নেই। ফলে তৃণমূল নিজেদের কর্মীদেরই পুনরায় দলে ভেড়ানোর নাটক করছে।

দিবাকর ঘরামি আরও অভিযোগ করেন, ভোটের আগে তৃণমূল ভাঙনের আতঙ্কে ভুগছে এবং সেই কারণেই এই ধরনের ভুয়ো যোগদানের প্রচার করছে। তাঁর কথায়, “গোটা বাংলা তৃণমূলকে বিদায় জানাতে প্রস্তুত।”

তবে যাঁকে বিজেপির যুব মোর্চার দায়িত্বে থাকা নেতা হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, সেই সঞ্জয় বাগদী জানান, বিজেপির অভ্যন্তরীণ গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরেই তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, বাঁকুড়ার সোনামুখী একসময় বামেদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির দিবাকর ঘরামি এই আসনে জয়ী হন। পরবর্তী সময়ে এলাকায় রাজনৈতিক মেরুকরণ আরও তীব্র হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোমনাথ বরাট




 

 rajesh pande