
নয়াদিল্লি, ১৬ এপ্রিল (হি.স.): নারী সংরক্ষণ সংশোধনী বিলের জন্য সবার সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বৃহস্পতিবার লোকসভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, নারীদের অধিকারের বিরুদ্ধে যারা দাঁড়িয়েছিল, তাদের ভুলে যায়নি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারত গণতন্ত্রের জননী। প্রধানমন্ত্রী মোদী বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে ভারত এক নতুন আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে চলেছে। এখন বিশ্বে ভারতের স্বীকৃতি আমরা সকলেই অনুভব করছি। এটি আমাদের সকলের জন্য এক গর্বের মুহূর্ত। আমি বিশ্বাস করি, 'বিকশিত ভারত' মানে শুধু রেলপথ, সড়কপথ, পরিকাঠামো, বা অর্থনৈতিক কিংবা অগ্রগতির পরিসংখ্যান নয়। 'বিকশিত ভারত' নিয়ে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এতটা সীমিত নয়। আমরা এমন এক 'বিকশিত ভারত' চাই, যেখানে নীতি নির্ধারণ প্রক্রিয়া 'সবার সাথে, সবার বিকাশ' এই মন্ত্রকে যথার্থভাবে ধারণ করবে। দেশের জনসংখ্যার ৫০ শতাংশকে নীতি নির্ধারণের অংশ হতে হবে, এটাই সময়ের দাবি।
লোকসভায় নারী সংরক্ষণ ও আসন পুনর্নির্ধারণ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, আমরা ইতিমধ্যেই এতে বিলম্ব করেছি। কারণ যাই হোক না কেন, যিনিই দায়ী হোন না কেন, আমাদের এই বাস্তবতা মেনে নিতেই হবে। আমি জানি যে এই প্রক্রিয়া চলাকালীন সব দলের সঙ্গেই আলোচনা করা হয়েছিল। একটি দল ছাড়া, আমাদের সঙ্গে যাদেরই দেখা হয়েছে, তারা কেউই কোনও নীতিগত বিরোধিতা করেননি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি দেশের গণতন্ত্রের পক্ষে যাবে, এটি দেশের সম্মিলিত সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে যাবে এবং এর কৃতিত্বের দাবিদার আমরা সবাই থাকব। এর প্রকৃত মালিক অর্থ দফতর বা মোদী কেউই হবেন না, এমনকি এখানে উপস্থিত প্রত্যেকেও এর প্রকৃত মালিক নন। যারা এর মধ্যে রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছেন, আমি তাদের গত ৩০ বছরের দৃষ্টিভঙ্গি পর্যালোচনা করে দেখতে অনুরোধ করব এবং ভাবব এতে কোনো লাভ আছে কি না। আমি বিশ্বাস করি, এটিকে রাজনৈতিক মোড় দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সংবাদ