ইরান-আমেরিকা সংঘর্ষবিরতি বাড়ল আরও দু’দিন, ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনিশ্চিত
তেহরান/ওয়াশিংটন/ইসলামাবাদ, ২১ এপ্রিল (হি.স.): আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলা সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘোষণা করেছেন। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার বৈঠক নিয়ে জোর কূটনৈতিক তৎপর
ইরান-আমেরিকা সংঘর্ষবিরতি বাড়ল আরও দু’দিন, ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার বৈঠক অনিশ্চিত


তেহরান/ওয়াশিংটন/ইসলামাবাদ, ২১ এপ্রিল (হি.স.): আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে চলা সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ আরও দু’দিন বাড়ানো হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই ঘোষণা করেছেন। পাকিস্তানের ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার বৈঠক নিয়ে জোর কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও, ইরানের অবস্থান এখনও স্পষ্ট নয়।

জানা গেছে, পূর্বনির্ধারিত সময় অনুযায়ী ২১ এপ্রিল (মঙ্গলবার) মার্কিন সময় রাত ৮টায় সংঘর্ষবিরতির মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তবে তা বাড়িয়ে বুধবার সন্ধ্যা (২৩ এপ্রিল, মার্কিন সময়) পর্যন্ত করা হয়েছে।

ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, এই নতুন সময়সীমার মধ্যে যদি কোনও চুক্তি না হয়, তবে ভবিষ্যতে আর মেয়াদ বাড়ানো কঠিন হবে।

অন্যদিকে, ২০-২১ এপ্রিলের মধ্যেই মার্কিন প্রতিনিধিদল ইসলামাবাদের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে। তবে ইরান এখনও প্রতিনিধি পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি।

ট্রাম্প আশা প্রকাশ করেছেন, তেহরান আলোচনায় অংশ নেবে। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন—সমঝোতা না হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

মার্কিন প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ইসলামাবাদে সম্ভাব্য দ্বিতীয় দফার আলোচনার আগে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আরও আলোচনা হতে পারে। ট্রাম্প আশাবাদী, তেহরান শেষ পর্যন্ত আলোচনায় অংশ নেবে।

অন্যদিকে, ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি জানিয়েছেন, সবদিক বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইরানের অভিযোগ, আমেরিকার উসকানিমূলক পদক্ষেপ ও সংঘর্ষবিরতি লঙ্ঘনের কারণেই বর্তমান পরিস্থিতি জটিল হয়েছে।

ইরানের সংসদের অধ্যক্ষ মহম্মদ গালিবাফও মন্তব্য করেছেন, আলোচনাকে চাপ সৃষ্টি বা আত্মসমর্পণের পথে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে আমেরিকা। তেহরানের শীর্ষ নেতৃত্ব স্পষ্ট জানিয়েছে, হুমকির মধ্যে কোনও আলোচনা হবে না।

সব মিলিয়ে, ২৩ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো সংঘর্ষবিরতির মধ্যেই পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয় এবং ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফার বৈঠক আদৌ হয় কি না, সে দিকেই নজর আন্তর্জাতিক মহলের।

---------------

হিন্দুস্থান সমাচার / সৌমি বৈদ্য




 

 rajesh pande