পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে স্বাগত অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্বের
গুয়াহাটি, ১৩ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে স্বাগত জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সিদ্ধ
সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য পেশ করছে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা


গুয়াহাটি, ১৩ মে (হি.স.) : পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য বিএসএফ-কে জমি হস্তান্তরের সিদ্ধান্তকে ‘ঐতিহাসিক’ বলে স্বাগত জানিয়েছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী ড. হিমন্তবিশ্ব শর্মা। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এই সিদ্ধান্ত অসম সহ সমগ্র উত্তর-পূর্বাঞ্চল তথা দেশের নিরাপত্তার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আজ বুধবার গুয়াহাটিতে নিজের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকের পর আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী ড. শর্মা বলেন, অনুপ্রবেশ রোধ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কড়া নজরদারি এবং সম্পূর্ণভাবে সিল করা অত্যন্ত প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘আমাদের অনুপ্রবেশ-বিরোধী লড়াই সবসময় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। কারণ বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে কাঁটাতারের বেড়ার একটি বড় সমস্যা ছিল।’

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অসমের বহু সংগঠন দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গেও একই ধরনের ব্যবস্থা না নিলে এই প্রচেষ্টা কার্যকর হবে না।

সীমান্ত সমস্যার ভৌগোলিক গুরুত্ব তুলে ধরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, উত্তরপূর্ব ভারতের পাঁচটি রাজ্য, অসম, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরাম এবং পশ্চিমবঙ্গ বাংলাদেশের সীমান্ত বরাবর। এর মধ্যে অসমের সীমান্ত সবচেয়ে ছোট হলেও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ।

ড. শর্মা বলেন, পশ্চিমবঙ্গ মন্ত্রিসভা এখন প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটা তারের বেড়া নির্মাণের জন্য ৪৫ দিনের মধ্যে বিএসএফ-কে জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ‘এটি অসমের জন্য অত্যন্ত আনন্দের খবর। কারণ আমরা অনুপ্রবেশের বিরুদ্ধে লড়ছি। পশ্চিমবঙ্গে একটি রাষ্ট্রবাদী সরকার ছাড়া এই সমস্যা রোধ করা সম্ভব নয়।’

নবনিযুক্ত পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়ে একে অসম এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মানুষের জন্য ‘ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, পশ্চিমবঙ্গে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সুরক্ষিত করা তাঁর নির্বাচনী প্রচারের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল। বলেন, সেখানে সীমান্ত সুরক্ষিত না হলে উত্তর-পূর্বাঞ্চল নিরাপত্তাজনিত সমস্যার মুখোমুখি হতে থাকবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande