
আগরতলা, ২৭ মে (হি.স.) : ত্রিপুরা সরকারের নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী সরকারি দফতরগুলিতে সকাল ৯টা ৩০ মিনিট থেকে অফিস শুরু হওয়ার প্রথম দিনেই উঠে এল নানা সমস্যা ও বাস্তব চিত্র। বৃষ্টিকে উপেক্ষা করেই এদিন বহু সরকারি কর্মচারী সময়মতো মহাকরণে উপস্থিত হলেও, বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থার অচলাবস্থা নিয়ে দেখা দেয় তীব্র অসন্তোষ।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সোমবার থেকে রাজ্যের সমস্ত সরকারি দফতরে অফিস শুরু হচ্ছে সকাল ৯টা ৩০ মিনিটে। সেই নিয়ম কার্যকর করতে এদিন সকাল থেকেই বিভিন্ন দফতরে কর্মীদের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। প্রবল বৃষ্টিপাত সত্ত্বেও নির্ধারিত সময়ে অফিসে পৌঁছাতে সচেষ্ট ছিলেন বহু কর্মচারী।
কর্মচারীদের একাংশ জানিয়েছেন, সরকারের এই নতুন সময়সূচিকে তাঁরা স্বাগত জানিয়েছেন এবং নিয়ম মেনে দায়িত্ব পালনেও আগ্রহী। তবে প্রথম দিনেই বায়োমেট্রিক উপস্থিতি ব্যবস্থার ত্রুটি প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে।
মহাকরণের বিভিন্ন দফতরে বায়োমেট্রিক মেশিন কার্যকর না থাকায় কর্মচারীদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ে। তাঁদের অভিযোগ, এই ব্যবস্থা সচল না থাকলে কে সময়মতো অফিসে আসছেন এবং কে আসছেন না—তা সঠিকভাবে নজরদারি করা সম্ভব হবে না। ফলে সরকারের নতুন নিয়ম বাস্তবায়নেও জটিলতা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
কর্মচারীরা দ্রুত বায়োমেট্রিক ব্যবস্থা সচল করার দাবি জানিয়ে বলেন, শুধুমাত্র সময়সূচি পরিবর্তন করলেই হবে না, তার সঙ্গে আধুনিক উপস্থিতি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থাও নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রাখা জরুরি। নচেৎ নতুন নিয়ম কেবল কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।
নতুন অফিস সময়সূচির প্রথম দিনেই উপস্থিতি ব্যবস্থা ঘিরে প্রশাসনিক খামতির চিত্র স্পষ্ট হওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সরকারি মহলেও শুরু হয়েছে আলোচনা।
হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ