আগরতলায় আইপিএফটি-র এমসিসি বৈঠক, তিপ্রাল্যান্ড ইস্যুতে সাংগঠনিক রূপরেখা আলোচনা
আগরতলা, ২৭ মে (হি.স.) : পৃথক রাজ্য ‘তিপ্রাল্যান্ড’ গঠনের দাবিকে কেন্দ্র করে বুধবার আগরতলার সুপারি বাগানস্থিত দশরথ দেব স্মৃতি ভবনে আইপিএফটি-র কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এমসিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা, সাম্প্রতিক নির্বাচন
আইপিএফটি-র বৈঠক অনুষ্ঠিত


আগরতলা, ২৭ মে (হি.স.) : পৃথক রাজ্য ‘তিপ্রাল্যান্ড’ গঠনের দাবিকে কেন্দ্র করে বুধবার আগরতলার সুপারি বাগানস্থিত দশরথ দেব স্মৃতি ভবনে আইপিএফটি-র কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে এমসিসি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। দলীয় সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করা, সাম্প্রতিক নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণকে সামনে রেখে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।

সম্মেলনের সূচনা হয় দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে। পতাকা উত্তোলন করেন আইপিএফটি-র সভাপতি প্রেম কুমার রিয়াং। এরপর সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত নেতা তথা প্রাক্তন মন্ত্রী এনসি দেববর্মার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান দলের শীর্ষ নেতৃত্বসহ উপস্থিত প্রতিনিধিরা। পুরো অনুষ্ঠানে সংগঠনের ঐতিহ্য ও আদর্শকে সামনে রেখে বিভিন্ন আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।

এদিনের সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আইপিএফটি-র সভাপতি প্রেম কুমার রিয়াং, সাধারণ সম্পাদক তথা মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া, সাধারণ সম্পাদক স্বপন দেববর্মা সহ দলের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। দলীয় সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশগ্রহণ করেন।

সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আইপিএফটির সাধারণ সম্পাদক তথা মন্ত্রী শুক্লাচরণ নোয়াতিয়া জানান, প্রতি বছরই কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে একদিনব্যাপী এমসিসি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের বৈঠকেও সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং সাম্প্রতিক টিটিএএডিসি নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, টিটিএএডিসি নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে আগামী দিনে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী ও সুসংগঠিত করার দিকেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আইপিএফটি-র তিন বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আগামী দিনে রাজ্য সম্মেলন আয়োজনের বিষয়েও প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে।

দলীয় সূত্রের মতে, সম্মেলনে সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কাঠামো আরও মজবুত করা, তৃণমূল স্তরে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক কৌশল নির্ধারণ নিয়েও মতবিনিময় হয়। তিপ্রাল্যান্ড দাবিকে কেন্দ্র করে সংগঠনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে, তা নিয়েও নেতৃত্ব পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।

সম্মেলন শেষে নেতৃত্ব আশা ব্যক্ত করেন যে, সংগঠনের এই ধরনের নিয়মিত পর্যালোচনা বৈঠক আগামী দিনে দলের সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande