খোয়াইয়ে জাল নোট ও নেশার ট্যাবলেট সহ গ্রেফতার শিক্ষক
খোয়াই (ত্রিপুরা), ২৭ মে (হি.স.) : জাল নোট চালানো এবং মাদক কারবারের অভিযোগে খোয়াই জেলায় জনৈক স্কুল শিক্ষককে গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধৃত শিক্ষকের নাম কার্তিক দেবনাথ (৪০)। তিনি খোয়াই থানার অধীন পশ্চিম সোনাতলা এলাকার বাসি
শিক্ষক গ্রেফতার


খোয়াই (ত্রিপুরা), ২৭ মে (হি.স.) : জাল নোট চালানো এবং মাদক কারবারের অভিযোগে খোয়াই জেলায় জনৈক স্কুল শিক্ষককে গ্রেফতারকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধৃত শিক্ষকের নাম কার্তিক দেবনাথ (৪০)। তিনি খোয়াই থানার অধীন পশ্চিম সোনাতলা এলাকার বাসিন্দা এবং স্থানীয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত শিক্ষক খোয়াই ও কল্যাণপুর থানা এলাকার বিভিন্ন বাজারে জাল নোট ব্যবহার করে লেনদেন করছিলেন বলে সন্দেহ তৈরি হয়। বিষয়টি প্রথমে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের নজরে আসে, পরে তা গোয়েন্দা বিভাগের কাছে পৌঁছায়। অভিযোগ পাওয়ার পর থেকেই পুলিশ তাঁর গতিবিধির ওপর নজরদারি শুরু করে।

গোপন সূত্রে পাওয়া নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সকালে কল্যাণপুরের বাগান বাজার এলাকায় অভিযান চালায় খোয়াই জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। বাজারে উপস্থিত হওয়ার পরই অভিযুক্তকে আটক করা হয়। তল্লাশিতে তাঁর কাছ থেকে প্রাথমিকভাবে ৯,০০০ টাকার জাল নোট উদ্ধার হয়।

আটকের পর তাঁকে কল্যাণপুর থানায় নিয়ে গিয়ে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের দাবি, জেরার মুখে তিনি জাল নোট ও মাদক সংক্রান্ত কার্যকলাপে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে পরে কল্যাণপুর ও খোয়াই থানার পুলিশ যৌথভাবে পশ্চিম সোনাতলায় তাঁর বাড়িতে অভিযান চালায়।

বাড়িতে তল্লাশির সময় আরও ১৩,৬০০ টাকার জাল নোট এবং ৫৫টি নিষিদ্ধ নেশার ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে মোট ২২,৬০০ টাকার জাল নোট এবং মাদকদ্রব্য উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে। বুধবার বিকেলেই তাঁকে খোয়াই জেলা আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালতে পেশের পর রিমান্ডে নিয়ে পুরো চক্র সম্পর্কে আরও তথ্য জানার চেষ্টা করা হতে পারে বলে ইঙ্গিত মিলেছে।

ঘটনার পর স্থানীয় শিক্ষা মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় অভিভাবক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক বলে মন্তব্য করেছেন।

পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার পেছনে কোনও বৃহত্তর চক্র বা সহযোগী রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / গোবিন্দ দেবনাথ




 

 rajesh pande