কুলটিতে রেলের জমিতে ফের চলল বুলডোজার
আসানসোল, ৩০ মে (হি.স.) : পশ্চিম বর্ধমান জেলার কুলটি বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালতোড়িয়া গ্রামের কাছে রেলের জমিতে শনিবার সকালে ফের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলো। রেল প্রশাসন বুলডোজার এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং কথিত বেআ
রেলের জমিতে ফের চলল বুলডোজার


আসানসোল, ৩০ মে (হি.স.) : পশ্চিম বর্ধমান জেলার কুলটি বিধানসভা কেন্দ্রের ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডের বালতোড়িয়া গ্রামের কাছে রেলের জমিতে শনিবার সকালে ফের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলো। রেল প্রশাসন বুলডোজার এবং বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় এবং কথিত বেআইনি দখলদারি হটানোর কাজ শুরু করে।

তথ্য অনুযায়ী, রেলের এই জমিতে দীর্ঘ দিন ধরে কিছু স্থানীয় পরিবার বসবাস করছিলেন এবং সেখানে তাঁরা বাড়িঘরও তৈরি করে নিয়েছিলেন। রেল আধিকারিকদের পক্ষ থেকে বহুবার নোটিশ জারি করে জমি খালি করার নির্দেশ দেওয়া হলেও, বাসিন্দারা সেখান থেকে সরেননি।

স্থানীয় মানুষের দাবি, বিধানসভা নির্বাচনের আগে কুলটির বিজেপি বিধায়ক ডঃ অজয় পোদ্দার রেল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে এই উচ্ছেদ অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত করিয়েছিলেন। তবে নির্বাচনী প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতেই রেল পুনরায় পদক্ষেপ গ্রহণ করে এবং বেশ কয়েকটি বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

ইতোমধ্যে, গত শুক্রবার ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে একটি স্মারকলিপি জমা দিয়ে দাবি জানানো হয়েছিল যে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পুনর্বাসনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত যেন এই উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ রাখা হয়। কিন্তু তার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই রেল প্রশাসন আবার এই অভিযান শুরু করে দিল।

শনিবারের এই উচ্ছেদ অভিযান চলাকালীন রেল আধিকারিকদের পাশাপাশি রেল সুরক্ষা বাহিনী (আরপিএফ) এবং রেল পুলিশও উপস্থিত ছিল। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এলাকায় কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছিল।

উচ্ছেদ অভিযানের জেরে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির অভিযোগ, বিকল্প পুনর্বাসনের কোনো ব্যবস্থা না করেই তাঁদের ঘরবাড়ি ভেঙে দেওয়া হয়েছে, যার ফলে তাঁরা চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। অন্যদিকে, রেল প্রশাসনের বক্তব্য, সরকারি জমি দখলমুক্ত করার জন্য নিয়ম মেনেই এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে এবং বেআইনি দখলদারি হটানো অত্যন্ত জরুরি। এই ঘটনার পর গোটা এলাকায় উত্তেজনা ও চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। পুনর্বাসন ও উচ্ছেদ ইস্যু নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক ও আলোচনা তীব্র হয়েছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি




 

 rajesh pande