বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে ব্রাত্য নদীয়া জেলা, ক্ষোভ-কোন্দল প্রকাশ্যে
কলকাতা, ১ জুন (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে সম্পূর্ণ ব্রাত্যই থেকে গেল নদীয়া জেলা। সোমবার নবগঠিত মন্ত্রিসভার যে ৩৫ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে এই জেলার একজন বিধায়কেরও নাম নেই। লোকসভা নির্বাচন
নদীয়া জেলার  ঠাঁই মেলে নি, মন্ত্রিসভায় ব্রাত্য


কলকাতা, ১ জুন (হি.স.): পশ্চিমবঙ্গের প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণে সম্পূর্ণ ব্রাত্যই থেকে গেল নদীয়া জেলা। সোমবার নবগঠিত মন্ত্রিসভার যে ৩৫ জন সদস্যের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তার মধ্যে এই জেলার একজন বিধায়কেরও নাম নেই। লোকসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের অষ্টাদশ বিধানসভা নির্বাচনকে (আগাম) পাখির চোখ করে এই মন্ত্রিসভা সাজানো হলেও, নদীয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ জেলাকে কেন এভাবে বাদ দেওয়া হলো, তা নিয়ে ইতিপূর্বেই দলের অন্দরে তীব্র উষ্মা ও ক্ষোভ প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, নদীয়া জেলার মোট ১৭টি বিধানসভা আসনের মধ্যে ১৪টিতেই জয়ী হয়েছেন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) প্রার্থীরা। বিপুল এই সাফল্যের পর স্বাভাবিকভাবেই জেলা থেকে অন্তত দু'জন মন্ত্রী পদ পাওয়ার জোরালো দাবিদার ছিলেন— চাকদহের বিধায়ক বঙ্কিম ঘোষ এবং নবদ্বীপের বিধায়ক শ্রুতিনাথ প্রামাণিক। কিন্তু দলীয় সূত্রের খবর, এই দুই হেভিওয়েট নেতার অনুগামীদের মধ্যে মন্ত্রিত্ব পাওয়া নিয়ে তৈরি হয় তীব্র দ্বন্দ্ব ও টানাপোড়েন। আর সেই অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জেরেই শেষ পর্যন্ত রফাসূত্র না মেলায় এই জেলা থেকে কোনো বিধায়ককেই মন্ত্রিসভায় ঠাঁই দেওয়া হয়নি।

সোমবার যে সরকারি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে বর্তমানে রাজ্য মন্ত্রিসভায় ১৩ জন পূর্ণ মন্ত্রী (ক্যাবিনেট), ৩ জন স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত রাষ্ট্র মন্ত্রী এবং ১৯ জন রাষ্ট্র মন্ত্রী রয়েছেন। কিন্তু বিপুল আসন থাকা সত্ত্বেও নদীয়া থেকে কোনো প্রতিনিধি না থাকায় দলের স্থানীয় নেতাকর্মী ও সমর্থকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভের আগুন জ্বলতে শুরু করেছে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, নদীয়া জেলার পর উত্তরবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা থেকেও মন্ত্রিসভায় কাঙ্ক্ষিত প্রতিনিধিত্ব না মেলায় সেখানেও একই রকম অসন্তোষ ও ক্ষোভের আঁচ মিলতে শুরু করেছে।

হিন্দুস্থান সমাচার / শুভদ্যুতি দত্ত




 

 rajesh pande