
কলকাতা, ১ জুন (হি.স.) : কলকাতা-ভিত্তিক সংস্থা 'মৈথিল যুব সামাজিক বিকাশ মঞ্চ'-র তত্বাবধানে রবিবার সন্ধ্যায় মুকুন্দপুর স্কুল গ্রাউন্ডে বিদ্যাপতি পর্ব সমারোহের আয়োজন করা হয়েছিল। অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ড. সুভাষ সরকার-সহ বহু বিশিষ্ট ব্যক্তি অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথি দিলীপ ঘোষ প্রদীপ জ্বালিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। তিনি মিথিলার সংস্কৃতির প্রশংসা করে বলেন, মিথিলাবাসীরা যেন এভাবেই তাঁদের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে রক্ষা করে চলেন ও আরও সমৃদ্ধ করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যাদবপুর জেলা সাংগঠনিক সভাপতি মনোরঞ্জন জোধা, সহ-সভাপতি গোবিন্দ জি, সাধারণ সম্পাদক মৌসুমী দাস, যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক কুন্দন সাহ, সহ-সভাপতি পঙ্কজ ঝা, মন্ডল-১ সভাপতি সজল রায়, সমাজসেবী প্রকাশ ঝা–সহ মিথিলা ও মৈথিলী সমাজের বিভিন্ন সংস্থার বহু গণ্যমান্য ব্যক্তি। এই সমারোহে মৈথিলী ভাষা, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং সামাজিক ঐক্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে মিথিলাঞ্চলের বিখ্যাত গায়কেরা মহাকবি বিদ্যাপতি রচিত সঙ্গীত পরিবেশন করে মৈথিলী সংস্কৃতির এক অপূর্ব রূপ ফুটিয়ে তোলেন। শ্রোতা ও দর্শকদের সুরের জাদুতে মুগ্ধ করেন পণ্ডিত কুঞ্জ বিহারী মিশ্র, ড. চন্দ্রমণি ঝা, সুরেশ পঙ্কজ, রামবাবু ঝা, মাধব রায়, আদিত্য ঠাকুর, রোশন ঝা, জুলি ঝা. এছাড়াও অন্যান্য শিল্পীরাও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সংস্থার পক্ষ থেকে পণ্ডিত কুঞ্জ বিহারী মিশ্রকে 'মিথিল মণি', গায়ক সুরেশ পঙ্কজকে 'মিথিলা মণি', গায়ক ও কবি রাধে ভাই এবং সমাজসেবী বিষ্ণু ঝা-কে 'মিথিলা বৈভব' সম্মানে ভূষিত করা হয়।
সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রেম জীর বক্তব্য, এই সংস্থার মূল উদ্দেশ্য হলো কন্যাদায়গ্রস্ত পরিবারকে বিয়েতে সাহায্য করা এবং বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা। এই আয়োজনটিকে সফল করে তুলতে সংস্থার সভাপতি মালতী ঝা, লক্ষ্মী কান্ত ঝা, সুনীল পাঠক, উমেশ মিশ্র, প্রমোদ মিশ্র, যতীন্দ্র নাথ মিশ্র, বিভূতি রায়, রাজেশ পান্ডে, সুমিত সিং, ত্রিলোক নাথ ঝা, দুর্গেন্দ্র ঝা-সহ সংস্থার অন্যান্য কার্যকর্তারা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।
---------------
হিন্দুস্থান সমাচার / সৌম্যজিৎ