এখন থেকে কামাখ্যা মন্দিরের বিশেষ দর্শন টিকিট অনলাইনে
গুয়াহাটি, ১৬ জুন (হি.স.) : এখন থেকে কামাখ্যা মন্দিরের বিশেষ দর্শনাৰ্থীদের ‘স্পেশাল টিকিট’ বুকিং করতে হবে অনলাইনে। অম্বুবাচি মেলা উপলক্ষ্যে বহু লক্ষ তীর্থযাত্রীর আগমন প্রত্যাশিত হওয়ায় প্রশাসন ও মেলা কমিটি যৌথভাবে এ ধরনের বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ব্যবস
কামাখ্যা মন্দিরের বিশেষ দর্শন টিকিট অনলাইনে (ছবি আসাম টুডে-র সৌজন্যে)


গুয়াহাটি, ১৬ জুন (হি.স.) : এখন থেকে কামাখ্যা মন্দিরের বিশেষ দর্শনাৰ্থীদের ‘স্পেশাল টিকিট’ বুকিং করতে হবে অনলাইনে। অম্বুবাচি মেলা উপলক্ষ্যে বহু লক্ষ তীর্থযাত্রীর আগমন প্রত্যাশিত হওয়ায় প্রশাসন ও মেলা কমিটি যৌথভাবে এ ধরনের বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা ও পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

গুয়াহাটি মহানগর জেলা প্রশাসন এবং নীলাচল পাহাড়ে অবস্থিত কামাখ্যা মন্দির পরিচালন কমিটি যৌথভাবে এক বিবৃতি জারি করে তথ্য দিয়েছে। বিবৃতিতে সকল ভক্তকে জানিয়েছে, বিশেষ দর্শনের টিকিট বুকিঙের জন্য নতুনভাবে তৈরি অনলাইন পোর্টালটি ১৫ জুন সন্ধ্যা ৬-টা থেকে সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, অম্বুবাচি মহোৎসব উপলক্ষ্যে মা কামাখ্যা মন্দিরে প্রতিদিন বাড়ছে ভক্তদের ভিড়। এই বিষয়টি মাথায় রেখে গতকাল সন্ধ্যা থেকে মন্দিরের কাউন্টারে বিশেষ দর্শনের টিকিট (সকাল ও বিকেলের স্লট) বুকিঙের অফলাইন সুবিধা বন্ধ হয়ে করে দেওয়া হয়েছে।

তাই সকল ভক্তকে বিশেষ দর্শনের টিকিট শুধুমাত্র অফিশিয়াল অনলাইন ওয়েবসাইট www.mkdonline.in-এর মাধ্যমে বুক করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে। কোনও ধরনের অসুবিধা এড়াতে ভক্তদের অনলাইন ব্যবস্থার মাধ্যমেই বুকিং সম্পূর্ণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে অম্বুবাচি মহাযোগ উপলক্ষ্যে নীলাচল পাহাড়ে লক্ষাধিক ভক্তের ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যানবাহন পরিচালনা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য পরিষেবা, পানীয় জল সরবরাহ ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্দির কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ভক্তদের শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। বিশেষ দর্শন ও অন্যান্য পরিষেবার জন্য অনলাইন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অম্বুবাচি মহাযোগ শুধু ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান নয়, অসমের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও পর্যটন ক্ষেত্রেও বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এ উপলক্ষ্যে গুয়াহাটি শহরে ভক্ত ও পর্যটকদের আগমনে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

হিন্দুস্থান সমাচার / সমীপ কুমার দাস




 

 rajesh pande