
কলকাতা, ১৭ জুন (হি. স.) : আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে খুন ও ধর্ষণের ঘটনায় নতুন করে তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই । বুধবার তদন্তের স্বার্থে সিবিআই-এর একটি বিশেষ দল উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি শ্মশানে পৌঁছয়। ঘটনার দিন নির্যাতিতার দেহ তড়িঘড়ি এই শ্মশানে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে শুরু থেকেই অভিযোগ করে আসছিলেন তাঁর বাবা-মা। সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই এদিন শ্মশানে গিয়ে তথ্য সংগ্রহ ও নথিপত্র খতিয়ে দেখেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।
তদন্তকারী দল সূত্রে জানা গেছে, এদিন পানিহাটি শ্মশানে গিয়ে তৎকালীন শ্মশান পরিদর্শক, দাহকার্যের দায়িত্বে থাকা কর্মী এবং স্থানীয় পুরসভার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন সিবিআই আধিকারিকরা। ঘটনার দিন অর্থাৎ গত বছরের আগস্ট মাসে দেহ শ্মশানে নিয়ে আসার পর থেকে দাহ সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত ঠিক কী কী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল, তা পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয়। একই সঙ্গে শ্মশানের রেজিস্টার বুক এবং দাহ সংক্রান্ত শংসাপত্রের নথিপত্রও পরীক্ষা করেন তাঁরা।
উল্লেখ্য, আরজি কর কাণ্ডের পর থেকেই নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছিল যে, ঘটনার দিন পুলিশ ও প্রশাসনের একাংশ অত্যন্ত তাড়াহুড়ো করে দেহ পানিহাটি শ্মশানে নিয়ে গিয়ে দাহ করার ব্যবস্থা করেছিল। পরিবারের সম্মতি ও উপস্থিতি সত্ত্বেও কেন এত দ্রুততার সঙ্গে শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হলো এবং এর পেছনে কোনও তথ্যপ্রমাণ লোপাটের চেষ্টা ছিল কি না— তা জানতেই সিবিআই এই নতুন করে তদন্তে নেমেছে। শ্মশানের সিসিটিভি ফুটেজ এবং তৎকালীন নথি খতিয়ে দেখে এই প্রক্রিয়ায় কার কার ভূমিকা ছিল, তা চিহ্নিত করার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা।
হিন্দুস্থান সমাচার / সোনালি